(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানা কর্তৃক দন্ড বিধি আইনের ১৫৪ ধারা মতে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সতর্কীকরণ নোটিশ জারি থাকা সত্ত্বেও নালিশি জায়গায় গাছ কেটে প্রাচির নির্মাণের অপচেষ্টা চলছে।
ফুলবাড়ী উপজেলার পৌরশহরের চৌধুরী মোড় এলাকায় সুজাপুরের লুৎফর রহমান চৌধুরী অত্র মৌজার ৬২৩ ও ৬২৪ দাগে আপন ভ্রাতাগণের সঙ্গে অংশীদারী সূত্রে বন্টকনামা মূলে ৭৫ শতক সম্পত্তি প্রাপ্ত হন। পর্বতীতে সীমানা নির্ধারণে লুৎফর রহমান চৌধুরীর বন্টকনামামূলে প্রাপ্ত অংশ থেকে ২ শতক জমি কম হয়। এ বিষয়ে সৃষ্ট ঘটনার প্রেক্ষিতে বিষয়টি এডিএম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। দীর্ঘদিনের বিবাদমান বিষয়টি নিস্পত্তির লক্ষে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আসিফ মাহামুদ গত ২৬ সেপ্টেম্বর ’২০ রোজ শনিবার সরেজমিনে এসে নালিশী দাগের জমি মাফযোগ করান। উক্ত পরিমাপে লুৎফর রহমান চৌধুরীর অংশে যে পরিমান কম ছিল তা আপন ভ্রাতা আতোয়ার রহমান চৌধুরীর অংশে পাওয়া যায়। যা বর্তমানে ক্রয়সূত্রে মালিক হিসেবে দাবি করছেন অত্র এলাকার প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলামকে মূল মালিকের ওয়ারিশগণের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধান করতে বলেন। প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম তা না করে রাতের অন্ধকারে লোকজন সংঘবন্ধ করে উক্ত নালিশী জায়গায় প্রাচীর নির্মাণের অপচেষ্টা চলায় বলে বাদীপক্ষ জানান।
এই বিরোধপূর্ণ মনোভাবে ভবিষ্যতে যে কোন সময় আমলযোগ্য গুরুত্বর অপরাধ সংঘটনের সম্ভাবনা বিদ্যামান থাকায় ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের প্রাক্তন সহযোগী অধ্যাপক লুৎফর রহমান চৌধুরীর জ্যেষ্ঠপুত্র ডা. চৌধুরী মুশফিকুর রহমান থানায় ডায়েরি আশ্রয় নেন। (ডায়েরি নং-৭৪ তাং ০২.১০.’২০)
এমতাবস্থায়, ওই ডায়েরির প্রেক্ষিতে দন্ডবিধি আইনের ১৫৪ ধারা মতে জারিকৃত নোটিশের মাধ্যমে (০২.১০.’২০ তাং) শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে বিরোধের বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তির জন্য বলা হয়।
স্থানীয় পত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ১৫৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ হঠকারিতা মূলক আইন শৃঙ্খলা অমান্য করে ৮ সেপ্টেম্বর সকালে বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে উক্ত নালিশী জায়গার গাছ কেটে অবৈধভাবে প্রাচির নির্মার্ণের অপচেষ্টা করেন। বাদীপক্ষ থানায় খবর দিলে উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. আল-আমিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনা স্থলে এসে প্রতিপক্ষদের নিষেধ করেন এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বলেন।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. আল-আমিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, উক্ত বিষয়ে উভয় পক্ষকে ওই দিন সন্ধ্যায় থানায় বসতে বলা হলেও বিবাদীপক্ষের কেউ থানায় আসেননি।

এদিকে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নজরুল ইসলাম মূল মালিক বা রের্কডীয় মালিকের ওয়ারিশগণের সঙ্গে সমাধানে না বসে বিভিন্ন ভাবে রাজনৈতিক মহলের প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে সমাজে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন।