মোঃ আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার ছোট যমুনা নদীর উপর ৫২ সালে নির্মিত ব্রীজটি চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ। সড়ক বিভাগ দিনাজপুর ব্রীজটি চলাচলে পরিত্যক্ত ঘোষণা করলেও ভারী যানবাহন চলাচল করছে। ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। দিনাজপুর টু ফুলবাড়ী ৫২ কিলোমিটার রাস্তার শেষ প্রান্তে ফুলবাড়ী ছোট যমুনা নদীর উপর ১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে লোহার ইস্পাত দিয়ে তৈরি ব্রীজটি ৬৬ বছর অতিবাহিত হয়ে যায়। সংস্কার না করার কারণে ব্রীজটি তার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। দিন যত যাচ্ছে ততই ব্রীজটির নিচের অংশ খুলে পড়ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, এঙ্গেল গুলি ক্রস করা অবস্থায় তার উপর রড বাইন্ডিং করে ঢালাই দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংস্কারের অভাবে ও ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে এখন ব্রীজটি অচল হয়েছে। ২০০৫ সালে সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এর আওতায় দিনাজপুর সড়ক বিভাগ ব্রীজটি চলাচলে অযোগ্য ঘোষণা করে দক্ষিণ দিকে নতুন ব্রীজ নির্মাণের জন্য ডিজাইন ও নকশা তৈরি করে টেন্ডার আহ্বান করলে দিনাজপুরের জনৈক এক ঠিকাদার ব্রীজটির নির্মাণ কাজ পেয়ে থাকেন। শুরু হয় কাজ। কিন্তু ব্রীজটি নির্মাণের শুরুর মাঝখানে এসে সরকারের অর্থ বরাদ্দ না থাকায় প্রায় ২ বছর কাজ বন্ধ থাকে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার কারণে দ্রুত ব্রীজটি নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেন। আবার পুরোদমে ব্রীজটির কাজ শুরু হয়। ২৮শে মে ২০০৮ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মাহবুবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ব্র্রীজটির উদ্ভোধন করার পর খুলে দেওয়া হয়। শুরু হয় ভারী যানবাহন চলাচল। কিন্তু পার্শ্বে উত্তর দিকে ব্রীজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করলেও শুধু মাত্র ভ্যান রিক্সা ও সাধারণ মানুষ চলাচলের জন্য রেখে দেন। কিন্তু ব্রীজটির এখন করুণ অবস্থা। উত্তর এবং দক্ষিণের সাধারণ মানুষ চলাচলের সরু রেলিংএর উপর যে কংক্রিট ঢালাই রয়েছে তা প্রায় অংশে খুলে পড়ছে। রাতের অন্ধকারে সাধারণ মানুষ চলাচল করলে দূর্ঘটনা ঘটবে। পাশাপাশি বালু ভর্তি ট্রাক, ধান ভর্তি ট্রাক, মাইক্রো বাস সহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করছে। এতে ঝুঁকি বাড়ছে। কেউ দেখছে না। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ীর সচেতন মহল ব্রীজটি সংস্কারের জন্য যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও দিনাজপুর সড়ক বিভাগের নেক দৃষ্টি কামনা করেছেন।
সংবাদের সাথে ছবি আছে।