মোঃ আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম)  ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির আমডুঙ্গির হাট সরকারি খাস খতিয়ান আদায়ে অনিয়ম। ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় হাট বাজার ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে সর্বোচ্চ ডাককারীকে হাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়। চলতি ২০২০ সালের পহেলা বৈশাখে উপজেলার শিবনগর ইউপির আমডুঙ্গির হাট ডাক দেওয়া হয়। ডাকে সর্বোচ্চ দরদাতা না থাকায় ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তর থেকে রাজস্ব আদায়ে সরকারিভাবে ইউপির তহশিলদারদের মাধ্যমে হাটের খাস খতিয়ান আদায় করা হয়। চলতি বছর শিবনগর ইউপির মৃত আবুল হোসেনের পুত্র মোঃ সাইদুর রহমান ০৪ মাস হাট থেকে রাজস্ব খাস খতিয়ানে আদায় করেন। আমডুঙ্গির হাটটি বুধবার ও শনিবার করে বসে। সরকারি খাস খতিয়ানে রাজস্ব আদায় করা হয়। কিন্তু ডাকের পরিমাণ না হওয়ায় এভাবে চলছে। প্রতি বুধবার ও শনিবার হাটে ৩ হাজার ৫ শত টাকা আদায় দেখানো হয়। কিন্তু সেখানে অধিক পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়। ইউপি তহশিলদার মোঃ রুহুল আমিন খাস আদায়ে টাকা ক্যাশ জমা নেন। অনেক সময় রশিদ দেন, অনেক সময় দেন না। ভূমি অফিসের তহশিলদার মোঃ রুহুল আমিন ও অফিস সহায়ক মকলেছার রহমান এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা হাটের খাস খতিয়ান আদায়ে অতিরিক্ত উৎকোচ গ্রহণ করেন খাস খতিয়ানের কালেকশন কারীদের কাছ থেকে। ২৯ শে জুলাই তহশিলদার নিজে খাস খতিয়ানে ৭৬ হাজার টাকার অধিক আদায় করেন।অভিযোগ উঠেছে এর অধিক পরিমান আদায় হয়েছে। ২টি বই ২৯ শে জুলাই রাজস্ব আদায় কারীদেরকে স্থানীয় জনৈক ব্যক্তির সুপারিশে দেওয়া হয়। ঐ দুটি বইয়ের টাকা জমা হয়েছে কিনা তার কোন সঠিক উত্তর পাওয়া যায় নি। প্রতিটি বইয়ে ২৫টি করে পাতা রয়েছিল। পূর্বের আদায়কারী মোঃ সাইদুর রহমান জানান, আমডুঙ্গির হাট খাস খতিয়ান আদায়ে তহশিলদার অনিয়ম করছেন। সঠিক ভাবে আদায়ের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে না। এ ব্যাপারে গত ১০/০৮/২০২০ ইং তারিখে শনিবার শিবনগর ইউপির তহশিলদার মোঃ রুহুল আমিন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, সাইদুর রহমান আমডুঙ্গির হাট খাস খতিয়ানে কালেকশন করেন নি। তাকে আমরা খাস খতিয়ান কালেকশনের কোন রশিদ বই দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে আমি আর কোন কথা বলতে রাজি নই। এ দিকে ঐ ভূমি অফিসে অফিস সহায়ক মকলেছার রহমান প্রায় ৪ বছর ধরে একই অফিসে চাকরি করছে তার কোন বদলি নাই। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে।