(দিনাজপুর২৪.কম) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা খান সাহেব উসমান আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বনাম ভারতের মধ্যেকার একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি বৃষ্টির বাগড়ায় পড়ে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বৃষ্টিতে ফতুল্লা টেস্টের ৪র্থ দিনের ২য় সেশনে খেলা হয়নি। সেন্টার উইকেটসহ মাঠের বেশিরভাগ অংশ এখনও কাভারে ঢাকা রয়েছে। আজ শনিবার ঝড়ো বাতাসে নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি নেন আম্পায়াররা। তবে ইতিমধ্যে দু’দফা মাঠ পরিদর্শন করেছেন আম্পায়াররা। বিকেল ৪টায় আবারো মাঠ পরিদর্শনে যাবার পর ৪র্থ দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন তারা।
এর আগে বৃষ্টির কারণে প্রথম সেশনের খেলা বন্ধ হলেও পরে বৃষ্টি থামলে আম্পায়াররা বিকেল ৩টায় ও সাড়ে ৩টায় মাঠ পরিদর্শনে যান। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির সময় পেরিয়ে গেলেও ভারী বর্ষণ হচ্ছিল ফতুল্লার আকাশে। টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩য় অর্ধশতক নিয়ে অপরাজিত ছিলেন ইমরুল কায়েস। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ইমরুলের সঙ্গে ছিলেন সাকিব আল হাসান।
আজ শনিবার সকালে সকালে ব্যাটিংয়ে নামেনি ভারত। জয়ের চেষ্টায় আগের দিনের স্কোরেই ইনিংস ঘোষণা করে অতিথিরা। ফতুল্লার আকাশে কোন কালো মেঘে না থাকায় খেলা শুরু হয় নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে ৯টাতেই। সকালে মাঠে আসার পর থেকেই সেন্টার উইকেটে বোলিং অনুশীলন করেন ভারতীয় বোলাররা। সেটা দেখেই পরিষ্কার হয়ে যায় চতুর্থ দিন আর ব্যাটিং করবে না অতিথিরা।
এর পর সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে বৃষ্টি নামলে ম্যাচের আম্পায়াররা খেলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তবে কিছুক্ষণ পরেই বৃষ্টি থেমে গেলে ফের শুরু হয় প্রথম সেশনের খেলা। বৃষ্টি ও মধ্যাহ্ন বিরতির আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩০.১ ওভার খেলে টাইগাররা সংগ্রহ করে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান। প্রথম সেশনে তামিম আর মুমিনুলের উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর মুশফিকের উইকেটও হারায় টাইগাররা।
এরপর শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। তবে তার আগেই মাঠের বেশিরভাই কাভার দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এ মুহূর্তে বৃষ্টি থামলেও কালো মেঘেই ঢেকে আছে ফতুল্লার আকাশ। ফতুল্লা টেস্টের চতুর্থ দিন সকালেই হাবিবুল বাশারকে ছাড়িয়ে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়ে যান তামিম ইকবাল। হাবিবুল বাশারের ৩ হাজার ২৬ রান ছাড়িয়ে যেতে তামিমের প্রয়োজন ছিল ৭ রান। তবে মাইলফলকে পৌঁছার দিনটিকে স্মরণীয় করতে পারেননি তামিম। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে স্টাম্পিং হয়ে ফিরে যাওয়ার আগে ১৯ রান করেন তিনি। অশ্বিনের বলে একটু এগিয়ে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন তামিম। বলে ব্যাট লাগাতে পারেননি, সময় মতো ফিরতেও পারেননি তিনি। সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাকে স্টাম্পিং করেন ঋদ্ধিমান সাহা। হরভজন সিংয়ের এগিয়ে এসে চার হাঁকিয়ে অর্ধশতকে পৌঁছান ইমরুল কায়েস। ৭৫ বলে ফিফটিতে পৌঁছাতে সব মিলিয়ে নয়টি চার হাঁকান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। হরভজনের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফিরেন মুমিনুল হক (৩০)। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পরের ওভারে লেগ স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মুশফিকুর রহিম (২)।