(দিনাজপুর২৪.কম) ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ ও হয়রানি বন্ধের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির সকল কার্যক্রম এখন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার জন্য আবেদন অনলাইনে নেওয়া হবে।

সফটওয়্যারের মাধ্যমে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত বদলি কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে সফটওয়্যারের পাশাপাশি নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। তবে নতুন পদ্ধতি চালুর আগে পুরনো নীতিমালার অধীনেই শিক্ষক বদলি করা হবে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় দেখা গেছে, বদলির জন্য ন্যূনতম তিন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। শূন্য থাকা আসনে মোট তিনটি বিদ্যালয়ে বদলির জন্য আবেদন করা যাবে। জেলা সদর ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলি হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এ সুবিধা চাকরিকালীন সময়ে একবার গ্রহণ করা যাবে।

উপজেলা/সিটি কর্পোরেশনের বাইরে থেকে সর্বাধিক ২০ শতাংশ শূন্য পদে সংশ্লিষ্ট স্থানে বদলি হওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে তার উপজেলাধীন বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে বদলিকৃত শিক্ষকদের হালনাগাদ তালিকা রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। তবে বৈবাহিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের উপজেলার তফসিলভুক্ত দুর্গম এলাকার স্কুলে কমপক্ষে ছয় মাস চাকরি করতে হবে। এসব এলাকায় চাকরির অভিজ্ঞদের বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তবে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান জেলার জন্য এটি প্রযোজ্য হবে না।-ডেস্ক