1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. erwinhigh@hidebox.org : adriannenaumann :
  3. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  4. AnnelieseTheissen@final.intained.com : anneliesea57 :
  5. ArchieNothling31@nose.ppoet.com : archienothling4 :
  6. BernieceBraden@miss.kellergy.com : berniecebraden7 :
  7. maximohaller896@gay.theworkpc.com : betseyhugh03 :
  8. BorisDerham@join.dobunny.com : borisderham86 :
  9. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  10. Burton.Kreitmayer100@creator.clicksendingserver.com : burton4538 :
  11. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  12. Concetta_Snell55@url-s.top : concettasnell2 :
  13. CorinneFenston29@join.dobunny.com : corinnefenston5 :
  14. marcklein1765@m.bengira.com : danielebramlett :
  15. rosettaogren3451@dvd.dns-cloud.net : darrinsmalley71 :
  16. cyrusvictor2785@0815.ru : demetrajones :
  17. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  18. emmie@a.get-bitcoins.online : earnestinemachad :
  19. nikastratshologin@mail.ru : eltonmcphee741 :
  20. EugeniaYancey97@join.dobunny.com : eugeniayancey33 :
  21. Fawn-Pickles@pejuang.watchonlineshops.com : fawnpickles196 :
  22. vandagullettezqsl@yahoo.com : gastonsugerman9 :
  23. panasovichruslan@mail.ru : grovery008783152 :
  24. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  25. audralush3198@hidebox.org : jacintocrosby3 :
  26. elizawetazazirkina@mail.ru : katjaconrad1839 :
  27. KeriToler@sheep.clarized.com : keritoler1 :
  28. Kristal-Rhoden26@shoturl.top : kristalrhoden50 :
  29. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  30. jarrodworsnop@photo-impact.eu : lettie0112 :
  31. cruz.sill.u.strate.o.9.18.114@gmail.com : lonnaaubry38 :
  32. lupachewdmitrij1996@mail.ru : maisiemares7 :
  33. corinehockensmith409@gay.theworkpc.com : meaganfeldman5 :
  34. sandykantor7821@absolutesuccess.win : minnad118570928 :
  35. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  36. news@dinajpur24.com : nalam :
  37. marianne@e.linklist.club : noblestepp6504 :
  38. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  39. armandowray@freundin.ru : normamedlock :
  40. rubyfdb1f@mail.ru : paulinajarman2 :
  41. PorterMontes@mobile.marvsz.com : porteroru7912 :
  42. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  43. brandiconnors1351@hidebox.org : roccoabate1 :
  44. Roosevelt_Fontenot@speaker.buypbn.com : rooseveltfonteno :
  45. kileycarroll1665@m.bengira.com : sabinechampion :
  46. santinaarmstrong1591@m.bengira.com : sawlynwood :
  47. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  48. gorizontowrostislaw@mail.ru : spencer0759 :
  49. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
  50. teriselfe8825@now.mefound.com : vedalillard98 :
  51. online@the-nail-gallery-mallorca.com : zoebartels80876 :
শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি :
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত "বাংলাদেশ কারিগরি প্রশিক্ষণ ও অগ্রগতি কেন্দ্র" এর দিনাজপুর সহ সকল শাখায়  RMP, LMAFP. L.V.P,  Paramedical, D.M.A, Nursing, Dental পল্লী চিকিৎসক কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভর্তির শেষ তারিখ ২৫/১১/২০১৯ বিস্তারিত www.bttdc.org ওয়েব সাইটে দেখুন। প্রয়োজনে-০১৭১৫৪৬৪৫৫৯

প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে বিতর্ক থামছেই না

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৭
  • ১ বার পঠিত

(দিনাজপুর২৪.কম) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ছুটি নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠিতে যা লিখেছেন প্রধান বিচারপতি
কী লিখেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এস কে সিনহা) তার এক মাসের ছুটির চিঠিতে। এ নিয়ে গত দু’দিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। গতকাল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরলেন এসকে সিনহার সেই চিঠি। প্রেসিডেন্ট বরাবর প্রধান বিচারপতির লেখা চিঠির বিষয়-এ লেখা হয়েছে- অসুস্থতাজনিত কারণে ৩রা অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. থেকে ১লা নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ দিনের ছুটির আবেদন। এরপর লেখা হয়েছে, মহাত্মন, আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি গত বেশ কিছুদিন যাবত নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভুগছি। আমি ইতিপূর্বে ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন ছিলাম। বর্তমানে আমি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক সুস্থতার জন্য বিশ্রামের একান্ত প্রয়োজন। ফলে আমি আগামী ৩রা অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. হতে ১লা নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ দিনের ছুটি ভোগ করতে ইচ্ছুক। চিঠিতে আরো লেখা হয়েছে, এমতাবস্থায় আগামী ৩রা অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. হতে ১লা নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ (ত্রিশ) দিনের ছুটির বিষয়ে মহাত্মনের সানুগ্রহ অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। চিঠির নিচে সুরেন্দ্র কুমার সিনহার স্বাক্ষর রয়েছে। গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী প্রধান বিচারপতির পুরো চিঠিটি পড়েও শোনান। পরে টেলিভিশনের ক্যামেরার সামনে ওই চিঠি তিনি তুলে ধরেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের চিঠির ছবি তোলার অনুমতি দেন। পরে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের হাত থেকে সাংবাদিকরা প্রধান বিচারপতির ছুটির আবেদনের ছবি তুলে নেন। চিঠি পড়ে শোনানোর পর আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে
প্রধান বিচারপতি যখন অসুস্থতা বা অন্য কারণে তার কাজ করতে অসমর্থ হন তখন প্রবীণতম বিচারপতি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব অস্থায়ীভাবে পালন করেন। এস কে সিনহা ছুটিতে যাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞা। এর আগে গত সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা প্রেসিডেন্টের কাছে এক মাসের ছুটির জন্য আবেদন করেন। ওইদিন বিকাল ৫টার দিকে চিঠিটি প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠান তিনি।
প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছে: বিএনপি
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহাকে সরকার জোর করে ছুটি নিতে বাধ্য করেছে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, মাননীয় প্রধান বিচারপতি অসুস্থ নন। তাকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। সর্বোচ্চ আদালতের সর্বোচ্চ বিচারপতির সাথে এমন আচরণ করা থেকে প্রমাণিত হয় যে, সরকার অস্তিত্ব সঙ্কটের ভীতিতে বেসামাল হয়ে পড়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
গতকাল বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধান বিচারপতি মাত্র ক’দিন আগে জাপান ও কানাডা সফর করে এসেছেন। এসব দেশে উন্নত চিকিৎসার থাকা সত্ত্বেও তিনি সেখানে কোনো চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন বলে দেশবাসী জানে না। এমনকি গত পরশু তিনি সুপ্রিম কোর্টে তার কার্যালয়ে বসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ফাইল সই করেছেন। নিয়মিত প্রথা অনুযায়ী গতকাল (মঙ্গলবার) সকল বিচারপতিকে নিয়ে আইনজীবীদের সাথে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্তও দিয়েছিলেন। অথচ সেদিন আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল মিডিয়াকে জানিয়েছেন যে, তিনি নাকি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ছুটি নিয়েছেন। কিন্তু গত পরশু (সোমবার) সন্ধ্যায় তার বাসভবনে সাক্ষাৎপ্রার্থী সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে তার পক্ষ থেকে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনেই জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, মাননীয় প্রধান বিচারপতি বলেছেন- ‘আমি সুস্থ আছি কিন্তু কথা বলতে পারবো না’। এসব কিছু থেকে প্রমাণিত হয় যে, মাননীয় প্রধান বিচারপতি অসুস্থ নন। তাকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের সর্বোচ্চ বিচারপতির সাথে এমন আচরণ করা থেকে প্রমাণিত হয় যে, সরকার অস্তিত্ব সঙ্কটের ভীতিতে বেসামাল হয়ে পড়েছে। নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মির্জা আলমগীর বলেন, ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে অনুগত বিরোধী দল সাজিয়ে প্রকৃতপক্ষে একদলীয় সরকার কায়েম করেছে। প্রশাসন ও নিম্ন আদালতকে কুক্ষিগত করেছে। অবাধে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে। গুম, খুন, মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধী মতের জনগণের জন্য স্বাভাবিক রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো অসম্ভব করে তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে সুবিচার পাওয়ার সর্বশেষ ভরসাস্থল উচ্চ আদালতও আজ স্বৈরাচারী সরকারের আক্রমণের শিকারে পরিণত হয়েছে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের সর্বসম্মত রায় দেয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ আদালত এবং তার সম্মানিত বিচারপতিগণকে সরকার প্রধান থেকে সরকারের মন্ত্রীবর্গ ও সরকারী দল ও জোটের নেতাকর্মীরা অসাংবিধানিক, অযৌক্তিক ও কুৎসিত ভাষায় সমালোচনা করে চলেছেন। এমনকি জাতীয় সংসদে যে ভাষায় সর্বোচ্চ আদালত ও তার বিচারপতিগণের সমালোচনা করা হয়েছে তা শুধু অভূতপূর্ব নয়-অস্বাভাবিকও। বিএনপি মহাসচিব বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের রায় পছন্দ না হলে তা রিভিউ করার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় না গিয়ে সরকার দেশের প্রবীন বিচারপতিকে নজিরবিহীনভাবে ছুটি নিতে বাধ্য করার যে নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তার বিরুদ্ধে দেশের আইনজীবী সমাজের পাশাপাশি সচেতন জনগণ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমরা সর্বোচ্চ আদালতের বিরুদ্ধে সরকারের এহেন আক্রোশমূলক, ঘৃণ্য আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে অনুগত করার সরকারী অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি। প্রধান বিচারপতিকে জোরপূর্বক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছে- এমন অভিযোগের ভিত্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে, ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হওয়ার পর থেকে প্রধান বিচারপতির ওপর ব্যক্তিগতভাবে, তার ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে অথবা সামগ্রিকভাবে তাকে যে ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে অথবা তাকে যে পরিণতির করা বলা হয়েছে, তাকে ছুটি নিয়ে চলে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এমনকি তাকে পদত্যাগ করে চলে যাওয়ারও কথা বলা হয়েছে। এ থেকে আজকে সমগ্র জাতির কাছে এটা স্পষ্ট, যেহেতু ষোড়শ সংশোধনী রায় বাতিল করার ব্যাপারে তারা একমত হয়নি, অত্যন্ত আপত্তি জানিয়েছে এবং তীব্র ভাষায় প্রধান বিচারপতির সমালোচনা করেছে। সুতরাং তারা তাকে জোর করে ছুটি নিতে বাধ্য করেছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। মির্জা আলমগীর বলেন, প্রধান বিচারপতির কার্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কমেন্টস পাইনি। তিনি এক মাসের ছুটি নিয়েছেন বা কি করেছেন, কি অবস্থায় আছেন, তার অসুখ হয়েছে, না হয়েছে- তার কার্যালয় থেকে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো রকমের ইনফরমেশন পাইনি। আমরা অবশ্যই প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ের কাছে জানতে চাই, দেশ ও জাতি জানতে চায় যে, এখন প্রধান বিচারপতির অবস্থানটা কী?
একজন বিচারকের জন্য বিচারকাজ থেমে থাকে না: অ্যাটর্নি জেনারেল
একজন বিচারকের জন্য বিচার বিভাগের কাজ থেমে থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেছেন, ছুটিতে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা কোথায় আছেন- এমন বিষয়ে যারা ‘বেশি উৎসাহী’ তারাই তাকে খুঁজে দেখুক। অ্যাটর্নি জেনারেল আরো বলেছেন, কোন বিচারপতি আদালতে আসলেন, গেলেন এটি দেখার দায়িত্ব আমার না। আমি কারো দারোয়ান নই। গতকাল দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। ছুটিতে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিষয়ে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিভিন্ন বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, প্রধান বিচারপতির ছুটিতে যাওয়া নিয়ে যারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তারা নিজেরাই এ উদ্বেগ সৃষ্টি করেছেন। প্রধান বিচারপতি কোথায় আছেন, কোথায় থাকবেন সেটি জানাতো আমার দায়িত্ব না। আমার দায়িত্ব আদালতের মামলা করা। যারা এ বিষয়ে বেশি উৎসাহী তারাই তাকে খুঁজে দেখুক।
ছুটিতে যাওয়া প্রধান বিচারপতির অবর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রমে কোন প্রভাব পড়বে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, কোনোরকম প্রভাব পড়বে না। কারণ এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তিনি যদি ছুটিতে যেতে চান, তাহলে ছুটিতে যাবেন। এ নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ নেই। আর যারা এটি নিয়ে রাজনীতি করছেন, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করছেন। বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের দিকে ইঙ্গিত করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন একটি রাজনৈতিক দলের কব্জায় চলে গেছে। যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার স্ত্রী, পুত্র স্বজনদের নিয়ে বারের অডিটরিয়াম ব্যবহার করা, যুদ্ধাপরাধের মামলার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া- এটা কি কোনো সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ? ‘প্রধান বিচারপতি কোথায় আছেন, সেটা আমার জানার কথা না’ তার এমন বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আমি সকাল ৯টায় কোর্টে আসি। প্রায়শই রাত ৯টা পর্যন্ত আমাকে থাকতে হয়। এখন কোন বিচারপতি আসলেন না বা কোথায় গেলেন- এটিতো আমার দায়িত্ব না। আমিতো কারো দারোয়ান না। আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ পুনর্গঠনের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি যদি মনে করেন বেঞ্চ রদবদল করবেন, তাহলে তিনি করতে পারবেন। এটা স্বাভাবিক নিয়মে সব সময় যেভাবে হয়, সেভাবেই হবে। এতে কোনো অসুবিধা নেই। চিকিৎসা শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আবারো তার দায়িত্বে ফিরে আসবেন- এমন প্রত্যাশা করেন কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, উনার (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) শরীরের কি অবস্থা সেটি উনিই ভালো জানবেন। এটি উনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার প্রত্যাশা হলো- বিচার বিভাগে ঠিকমতো কাজ হচ্ছে কিনা। একজন বিচারকের জন্য বিচার বিভাগ থেমে থাকে না। হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্ট।
দাওয়াত দিয়ে প্রধান বিচারপতির না আসাটা ‘অস্বাভাবিক’
আইনজীবীদের গেট টুগেদারের (অবকাশের পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের সঙ্গে আইনজীবীদের শুভেচ্ছা বিনিময়) চিঠির দাওয়াত দিয়েও মঙ্গলবারের ওই অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার না আসাটা ‘অস্বাভাবিক’ বলে উল্লেখ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। গতকাল দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে তার দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। জয়নুল আবেদীন বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হলো তিনি (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) ক্যানসারের রোগী। কিন্তু আমরা এ বিষয়ে কোনো সার্টিফিকেট পাইনি। এমনকি প্রধান বিচারপতিরও কোনো বক্তব্য পাইনি।
এক প্রশ্নের জবাবে জয়নুল আবেদীন বলেন, আমি এখানের (সুপ্রিম কোর্ট) অবস্থা জানি। আইনজীবীদের মধ্যে একটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দাওয়াত করে কাউকে কিছু না জানিয়ে উনি (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) আসলেন না। আমাদের সাধারণ আইনজীবীরা এ কারণেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দাওয়াত দিয়ে প্রধান বিচারপতির না আসা- এটি অস্বাভাবিক। কারণ অতীতে সুপ্রিম কোর্টে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। জয়নুল আবেদীন বলেন, উনি (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) বিদেশ থেকে আসলেন, দায়িত্ব পালন করলেন, আমাদের দাওয়াতের চিঠি দিলেন, আর এখন তিনি ক্যানসারে অসুস্থ হয়ে পড়লেন- এটিতো তিনি আমাদের জানাননি। এটিতো (আইনজীবী সমিতি) সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের একটি নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান। বার ও বেঞ্চের মধ্যে অতীতেও একটা সম্পর্ক ছিল, এখনো থাকার কথা। আমাদের তো উনি জানাতে পারতেন। বিচারপতিরা অসুস্থ হলে বারের সভাপতি অন্তত দেখতে যান।
প্রধান বিচারপতির বর্তমান অবস্থা জানতে আজ আপিল বিভাগে আবেদন
এদিকে এক মাসের ছুটিতে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বর্তমান অবস্থা জানতে আজ সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিয়ার কাছে আবেদন করবেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সাবেক বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল রাজধানীর হেয়ার রোডে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে যাবেন বলে জানান সমিতির নেতৃবৃন্দ। তবে, কবে নাগাদ প্রধান বিচারপতির বাসভবনে তারা যাবেন সেই দিনক্ষণ জানাননি তারা। গতকাল সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের তৃতীয় তলার কনফারেন্স কক্ষে সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।-ডেস্ক

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর