(দিনাজপুর২৪.কম) যে টিআরএমের জন্য বছরের পর বছর জনগণ আন্দোলন সংগ্রাম করেছে সেই টিআরএম চালুর মাত্র কয়েকদিন পর জনগণই খালের বাধ বেধে টিআরএম বন্ধ করার কার্যক্রম শুরু করেছে। আর এর ফলে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি ২৬২ কোটি টাকার কপোতাক্ষ খনন প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। কপোতাক্ষ খনন প্রকল্পে টিআরএমের পেরিফেরিয়াল বাধ, আউট লেট গেট নির্মাণসহ সবকিছুই ছিল। ঠিকাদার টাকাও নিয়েছে। কিন্তু বাধ বাধেনি ডিজাইন অনুযায়ী। ফলে টিআরএম চালুর পর কপোতাক্ষের জোয়ারের পানি পার্শ¦বর্তী গ্রামে প্রবেশ করে বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়। টিআরএম চালু থাকলে আপাতত এই বন্যার পানি নিস্কাশনের কোনো আশা দেখছেন না জনগণ। ফলে তাদের ভাষ্য অনুযায়ী বাধ্য হয়ে টিআরএম এর খাল বেধে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে।
এলাকাবাসীরা জানান, তালার পাখিমারা বিলে টিআরএম চালু হলে কপোতাক্ষের জোয়ারের পানি গ্রামগুলোতে যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিলের চারিধার দিয়ে ভেড়িবাধ নির্মাণ কাজ প্রকল্পের ডিজাইনেই ছিল। একই সাথে বর্ষা মৌসুমে গ্রামের পানি নিস্কাশনের জন্য বিভিন্নস্থানে আউটলেট গেট নির্মাণ করার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদার যেনতেনভাবে বাধ বাধে এবং বাধের যাবতীয় টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।
এদিকে গতশনিবার সকালে দোহার, আটুলিয়া, শ্রীমন্তকাটি, বালিয়া, শুভংকরকাটি, তেঘরিয়াসহ আশপাশের প্রায় দুই হাজারের অধিক লোক মিলে বাঁধতে শুরু করে। পরে তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিদুল হক লিটু, খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান লেয়াকত হোসেন, প্রফেসর এমএ গফ্ফার, আ.লীগ নেতা রবিউল ইসলাম মুক্তিসহ আ.লীগের স্থানীয় নেতা কর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। -ডেস্ক