(দিনাজপুর২৪.কম) হাজারো ইসরাইলি জনগণ দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো তাদের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন তারা। শনিবার সন্ধ্যায়ও তেল আবিবে সমবেত হয়েছিলেন প্রতিবাদকারীরা।

প্রায় ৩০ হাজার মানুষ রোটসচাইল্ড বৌলেভার্ডে সমবেত হয়েছিলেন। এ সময় তারা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্লেকার্ড প্রদর্শন করেন। এতে লেখা ছিল, ‘দুর্নীতিকে না বলুন’, ‘কোনো বামপন্থী বা ডানপন্থী নয়, আমরা সৎ’, ‘চলে যাও নেতানিয়াহু’ ইত্যাদি।

জেলুসালেম পোস্ট জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি বিক্ষোভের ব্যাপারে ‘ক্রোধ’ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ট্রাম্পের ঐতিহাসিক ঘোষণায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে আক্রমণ হচ্ছে, আর আরব বিশ্বে যখন ইসরাইল ও আমেরিকার পতাকা পোড়ানো হচ্ছিল, নেতানিয়াহু যে সন্ধ্যায় দেশের হয়ে এর জবাব দিতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই এ বিক্ষোভ হলো। ’

গত নভেম্বরে দুর্নীতির মামলায় নেতানিয়াহুকে ষষ্ঠবারের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

গত বছর থেকে পৃথক দু’টি দুর্নীতির মামলায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তবে তিনি তা বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

প্রথম মামলায় জড়িয়ে আছে হলিউড প্রযোজক আরনন মিলচানের নাম। নেতানিয়াহু ও তার স্ত্রী মিলচানের কাছ থেকে দামি সব জিনিসপত্র উপহার হিসেবে নিয়েছেন বলে অভিযোগ।

আর দ্বিতীয় মামলায় এক সংবাদপত্রের মালিকের পক্ষ নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিককে ডুবিয়ে দেয়ার বিনিময়ে বেশি কভারেজ পাওয়ার চুক্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে। ইসরাইলের সর্বাধিক বিক্রিত দৈনিক ইডিয়ট আহারোনোৎ এর প্রকাশকের সঙ্গে তিনি এই চুক্তি করেন।

গত শনিবার রাতে বিক্ষোভকারীরা তেল আবিবের একটি অভিজাত এলাকার মহাসড়কে জমায়েত হয়।

দুর্নীতির মামলায় পুলিশ নেতানিয়াহুর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

নেতানিয়াহু রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যক্তিগত খরচ ব্যয় করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, এ ব্যাপারেও সারাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। -ডেস্ক

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি