ছবি-সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) বিক্ষিপ্ত অনিয়ম, বিরোধী প্রার্থীদের ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোট চলাকালে কয়েক জায়গায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ভোটার ও এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষ থেকে। বিএনপি’র বেশ কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুপুরের পরই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। এ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তত ৪০ থেকে ৫০ ভাগ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পৌরসভার ৫৬টিতে মেয়র পদে ভোট হয়। নারায়ণগঞ্জের তারাব, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, পাবনার ভাঙুরা ও পিরোজপুরে মোট চারটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

ভোট শুরুর পর এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাটের মোংলায় মেয়রসহ ৯টি ওয়ার্ডে বিএনপি’র কাউন্সিলর প্রার্থীসহ মোট ১৫ জন, রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভায় বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে আঙুলের ছাপ নিয়ে ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থীর ওপর হয়েছে হামলা। ফেনীর দাগনভূঞায় একটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। চান্দিনায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হয়েছে সংঘর্ষ।
নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সাভার পৌরসভার বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, একটিমাত্র কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও তিনি বিএনপি’র এজেন্ট দেখতে পাননি।

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, ঈশ্বরদী পৌর নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম নয়ন ও তার সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে ঈশ্বরদী ইসলামীয়া আলীম মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর ভোট কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে ঈশ্বরদী পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম নয়ন ভোট বর্জন করেন।  শনিবার ভোট চলাকালে দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের পূর্ব টেংরী নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক  সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি।

মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভোট শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিটি কেন্দ্র দখল করে আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা। তারা ভোটারদের প্রকাশ্যে ভোট দেখাতে বাধ্য করে। সাধারণ ভোটারদের বাধা দেয় । এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে আমাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।’ জানান প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েও তিনি পাননি।

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী মো. জুলফিকার আলী সহ মোট ১২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এদের মধ্যে ৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৪ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন।  ভোটকেন্দ্র দখল, এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়া, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয়া, বুথের মধ্যে অন্যদের উপস্থিতিতে ভোট দিতে বাধ্য করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তারা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী জুলফিকার আলীর মাদ্রাসা রোডস্থ নিজ বাসভবনের নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তারা।

বর্জন করা কাউন্সিলররা হলেন-১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হাবিব ফকির, মাইনুল ইসলাম, ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ইমান হোসেন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সুমন মল্লিক, ইউনুস আলী,  ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী এমরান হোসেন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী এডভোকেট মো. হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আলাউদ্দীন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম,  ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী এম এ কাদের, সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর প্রার্থী কমলা বেগম, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী লিলি বেগম, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আয়েশা বেগম।

সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলররা বলেন, শুধু মেয়র প্রার্থীর ভোটার সমর্থক নয়, কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থক ও ভোটারদেরও কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। আমাদের সমর্থকদেরও মারধর করেছে আওয়ামী সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি জানান, গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী বর্জন করেছেন। এরা হলেন-বিএনপি’র মনোনীত মেয়র প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু, স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবু হুরাইরা। শনিবার ভোটগ্রহণ চলাকালীন সময়ে  ভোট বর্জন করেন তারা।

তাদের অভিযোগ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আহম্মেদ আলীর লোকজন ভোটগ্রহণ শুরু থেকেই নির্বাচন কাজে নিয়োজিত এজেন্ট ও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা প্রদান  করেন। এবং প্রশাসনের নীরব ভূমিকা দেখা গেছে। সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে অন্যের ভোট এভিএমের বাটনে কৌশলে মেরে নিচ্ছে।

বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু, স্বতন্ত্র প্রার্থী মেয়র আশরাফুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মেয়র প্রার্থী সাংবাদিকদের মাধ্যমে ভোট বর্জনের ঘোষণা  দেন।  এদিকে ভোট গ্রহণের সময় দু’জন কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজনদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে পৌরসভার ৪ নং কেন্দ্রে কাউন্সিলর প্রার্থী মিজানুর রহমান ও আছেল উদ্দীনের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌর নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া, কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা দেয়া ও ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের ফিঙ্গার নেয়ার পর নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে বাধ্য করার অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নূরুল মিল্লাত। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বেতিয়ারকান্দি গ্রামে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই ঘোষণা দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন শুরু করলেও সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে কুলিয়ারচর সরকারি কলেজ কেন্দ্রে বিএনপি’র এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয় আওয়ামী লীগ সমর্থিত এজেন্ট ও সমর্থকরা। এ সময় বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থীকে কুলিয়ারচর থানার এস আই মুহাম্মদ আজিজুল হক শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেন। ওই এস আই দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে একই থানায় কর্মরত আছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রচার প্রচারণা চালানোর সময়ও ওই এস আই আমাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেছিলেন। একই ভাবে ৯নং ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়।  কেন্দ্রে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও প্রশাসনের কোনো ভূমিকা চোখে পড়ে নাই।
ফেনী প্রতিনিধি জানান, ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভা নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণে এক আনসার সদস্য সহ চারজন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টার দিকে পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে গণিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনার পর পর র‍্যাব, বিজিবি’র অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই কেন্দ্রের টেবিল ল্যাম্প প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী কামরুল ইসলাম ক্লাইভ জানান, সরকার দলসমর্থিত উটপাখি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী ছালাউদ্দিন রুবেলের সমর্থকরা কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন রাত থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রভাব বিস্তার করে। সকাল সোয়া দশটার দিকে কেন্দ্রে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটলে এক আনসার সদস্যসহ চারজন আহত হন। থেমে থেমে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। আহতরা হচ্ছে আনসার সদস্য মো. আরিফ, সিন্দুরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন সুজন। অপর দুইজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে জানান, রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা তাকে ভোট দিতে দেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করে বলেন, তিনি সকালে পৌরসভার চানপাড়া স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ক্যাডাররা তাকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। তিনি মেয়র প্রার্থী হলেও তাকে ভোট দিতে দেয়া হয়নি। ৯টি ওয়ার্ডের সবগুলো থেকেই বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। এজন্য তিনি ভোট বর্জন করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন প্রার্থী। আমাকেও ভোট দিতে দেয়া হয়নি। আমাকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা।’

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার চান্দিনা পৌরসভার নির্বাচনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। শনিবার পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হারং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের পাশে ভোট শুরু হওয়ার আগেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী পাঞ্জাবি প্রতীকের বিল্লাল হোসেনের সমর্থকদের সঙ্গে উটপাখি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী নাজমুল হাসানের সমর্থকদের এই সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৪ জন আহত হন। বিল্লাল হোসেনের ভাই ইব্রাহিম খলিলের অভিযোগ, উটপাখি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মহসিন নামে তাদের এক সমর্থককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। তাকে প্রথমে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে মহসীনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বান্দরবানের লামা পৌরসভা নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৯টি ওয়ার্ডের প্রায় সবগুলো কেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে দেখা যায় ভোটারদের। প্রতিটি কেন্দ্রে পুরুষের চেয়েও  নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্য করার মতো। এদিকে কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ এনে বিএনপি প্রার্থী মো. শাহীন বিকাল সাড়ে ৩টায় লামা উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন । ৯টি কেন্দ্রে ঘুরে জানা যায়, পৌরসভার ২নং ভোট কেন্দ্র লামা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেলা সাড়ে ১১টায় বিধি লঙ্ঘন করায় ৪নং ওয়ার্ডের করিম মোস্তফার ছেলে মো. রহিম (২৭) কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ২নং ওয়ার্ডের মৃত মোজাহের হোসেনের ছেলে মোজাফ্‌ফর আহমদকে সাময়িক আটকের নির্দেশ দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। লামা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিধি লঙ্ঘনের কারণে দুপুর সাড়ে ১২টায় সাময়িক সময়ের জন্য আটক করা হয় চন্দন দাশ ও অভি দাশকে। দুপুর ১টায় ৯নং ভোট কেন্দ্র শিলেরতুয়া মার্মা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল ভোট দিতে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে আটক হয় রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাহাব উদ্দিনের ছেলে মোঃ আলমগীর (৪০)। বিকাল ৩টায় ৮নং ভোট কেন্দ্রে একাধিক ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয় আমির হোসেন নামে এক যুবক। পরে কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সাময়িক আটক রাখার নির্দেশ দেয়। সূত্র : মানব জমিন