(দিনাজপুর২৪.কম) নওগাঁর পোরশা উপজেলার কাদিপুর গ্রামের পৈতৃক সম্পত্তির পুকুর পাড়ে আমগাছে বিশ প্রয়োগ করে দখলের চেষ্টা করার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সম্পত্তির মালিক কাদিপুর গ্রামের মৃত ফজল মন্ডলের পুত্র ইদ্রিস আলী বিষ প্রয়োগে বাধা দিতে গেলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজসহ মারধুর করার হুমকী প্রদান করা হয়। গত সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে।

এ ঘটনায় পোরশা থানায় ১১ জনকে নামধারী ও ৫/৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সম্পত্তির মালিক ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে ঘটনা শুনে ইদ্রিস আলীর দুই পুত্র বাবুল হোসেন ও কামাল হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে দখলকারীদের সাথে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দখলকারীরা ধারালো হাসুয়া দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কামাল হোসেনের মাথায় আঘাত করে। কামাল হোসেন সে সময় রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনো দখলকারীরা কামাল হোসেনের পিঠে হাসুয়া দিয়ে ২য় বার আঘাত করে। ছোট ভাই কামালকে উদ্ধার করতে গিয়ে ইদ্রিস আলীর বড় ছেলে বাবুল হোসেনকেও দখলকারীরা লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে পিঠের বাম পার্শ্বে আঘাত করে। সে সময় রক্তাক্ত অবস্থায় বাবুল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। রক্তার অবস্থায় সম্পত্তির মালিক ইদ্রিস আলী ২ সন্তানকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে দখলকারীরা ইদ্রিস আলীকেও লোহার রড দিয়ে বাম হাতের বাহুতে এলোপাতাড়ি ভাবে মারধুর শুরু করে। সন্তানদের প্রাণ বাঁচাতে ইদ্রিস আলী চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা ও ২ ছেলেকে উদ্ধার করে সাপাহার সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসে।সম্পত্তির মালিক ইদ্রিস আলী প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় তবে ২ সন্তান কামাল ও বাবুল বর্তমানে সাপাহার সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ১১ জন নামধারী ও ৫/৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পোরশা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে সম্পত্তির মালিক ইদ্রিস আলী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পোরশা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এ বিষয়ে দখলকারী আব্দুস সাত্তারের সাথে কথা হলে তিনি সংবাদটি প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিকদের অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।সাপাহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বিনয় কুমার বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে পোরশা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এজাহারনামীয় আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে দ্রুততার সাথে অভিযোগ পত্রের পরিবর্তে পুলিশ প্রতিবেদন হবে বলেও এএসপি বিনয় কুমার জানান। -ডেস্ক