(দিনাজপুর২৪.কম) ঢাকার বাজারে আবার বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। যেখানে সপ্তাহ খানেক আগে এক পাল্লা পেঁয়াজের দাম ছিলো ১৫০ টাকা থেকে ১৭৫ টাকা। এখন সেই পেঁয়াজের দাম প্রতি পাল্লা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর খিলগাঁও, বাসাবো, কাওরান বাজার, মিরপুর, গাবতলী, আব্দুল্লাহপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

এছাড়া খুচরা বাজারগুলোতে সব ধরনের পেঁয়াজ দেড়গুণ বাড়তি দামে এখন বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, করোনার কারণে ভারতে থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও অতি বন্যার ফলেও দাম বেড়েছে। দাম বৃদ্ধির সময়ে আমদানি পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় রাজধানীর বাজারগুলোতেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

রোববার সকালে বাসাবো বাজারের দোকানি খাইরুল ইসলাম জানান, খুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এসময় তিনি ৩৫ থেকে ৪৪ টাকা কেজিতে তিন দিন আগেও পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন বলে জানান।

এদিকে খিলগাঁও বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আহমেদ মিয়া জানান, আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন, যা আগে ছিল ৩০ টাকা। এ হিসাবে পেঁয়াজের দাম দুইগুণ বেড়েছে।

তিনি আরও জানান, ভারতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় হিলি বন্দর পর্যন্ত পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজিতে খরচ হচ্ছে। আগে বন্দরে পেঁয়াজ লেনদেন হয়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি। ভারতের নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ায় বাজারে পুরোনো পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

এছাড়া রাজধানীর মহাখালী, মিরপুর, উত্তরা, রামপুরাসহ অন্যান্য বাজারের চিত্রও একই। খুচরায় দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

তিনদিন আগে সব বাজারে খুচরায় মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

এদিকে পেঁয়াজ কিনতে আসা এক বেসরকারি কর্মকর্তা জানান, একদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে চাকরির বেতন কমিয়েছে শতকরা ১০ ভাগ। তারপর আবার বাজারে তরিতরকারির দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। এমতাবস্থায় ঢাকাতে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে। -ডেস্ক