মোঃ আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের শালঘড়িয়া ছিট পাড়া গ্রামে জমি জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ভূমিহীন পরিবারের বাড়িতে ভাংচুর লুটপাট আহত থানায় মামলা দায়ের। পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের শালঘড়িয়া ছিটপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ হামিদা খাতুনের থানায় দায়েরকৃত মামলা সুত্রে জানা যায় পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের দলদলিয়া ভাগলপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ এর স্ত্রী মোছাঃ ছামিলা বেগম এর নিকট থেকে গত ১০/০৩/২০১৪ ইং সালে তার নিজ নামে কবলা দলিল মূলে ভূমিহীন পরিবার ৬ শতক জমি খরিদ করেন। সেই জমিতে মাটির ঘর তৈরি করে গাছপালা লাগিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন মোছাঃ হামিদা খাতুন ও তার স্বামী মোঃ আলমগীর হোসেন। জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ২১/০৭/২০১৫ ইং তারিখে সকাল সাড়ে ৯টায় একই গ্রামে মোঃ চয়ন (২৮), মোঃ নয়ন (২৫), উভয়ের পিতা- মোঃ হবিবর রহমান, মোঃ হবিবর রহমান (৫৮) পিতা- ময়েজ উদ্দিন, মোঃ বেলাল (৩০) মোঃ হিটু (২৮), মোঃ বুলু (২৫), পিতা- মোঃ সেরাজ উদ্দিন, মোঃ আল-আমিন (২৮), পিতা- মোঃ মফিজ উদ্দিন, মোঃ মহরম (২২), পিতা- জাকের আলী, মোঃ হাসু (২২), পিতা- কোরবান আলী, মোঃ কোরবান আলী (৪৫), পিতা- কাছির উদ্দিন, সকলের গ্রাম- দলদলিয়া ডাঙ্গাপাড়া,  থানা- পার্বতীপুর, দিনাজপুর। তারা দলবদ্ধ হয়ে উল্লেখ্য তারিখে ধারালো ছোরা, চাকু, লোহার রড, বাঁশের লাঠি হাতে লইয়া বাড়িতে প্রবেশ করে বাড়িটির ব্যাপক ভাংচুর করে ও ৩০ হাজার টাকার গাছপালা কেটে ফেলে দেন। মোছাঃ হামিদা খাতুন ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন বাধা দিতে গেলে তাদের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ার কারণে হামিদার স্বামী আলমগীরের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হবিবর রহমান ও অন্যান্য আসামীরা মাথায় আঘাত করে। এতে হামিদা খাতুনের স্বামী আলমগীর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তিনি স্বামীকে রক্ষার্থে আগাইয়া গেলে তাকেও মার পিট করে আহত করে বিবস্ত্র করে। উল্লেখ্য ব্যাক্তিরা সুযোগ বুঝে তার কানে থাকা ৬ আনা ওজনের সোনার দুল যার মূল্য ১৬ হাজার টাকা এবং বাড়ি ভাংচুর, গাছ কর্তন করায় ৭০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেন। তাহার আত্ব চিৎকারে স্থানীয় মোঃ ইয়াকুব আলী মাস্টার, মোঃ মোসা মিয়া, মুক্তার আলী, শাহিনূর হক ঘটনা স্থলে ছুটে গিয়ে তাদের কবল থেকে রক্তাত্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ঐ দিনেই ভর্তি করান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোছাঃ হামিদা খাতুন সুস্থ হয়ে গত ০২-০৮-২০১৫ ইং তারিখে ১০ জনকে আসামী করে পার্বতীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং-৩, ধারা১৫৩/৪৪৮/৩২৪/৩২৫/৪২৭/৩০৭/৩৫৪/৫০৬/দঃবিঃ। এদিকে আসামীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য মোছাঃ হামিদা খাতুনকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছেন বলে জানান। বর্তমান সেখানে নিরাপত্তা না পেয়ে এখন বসত ভিটা ছেড়ে বাপের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছেন।