(দিনাজপুর২৪.কম) বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের অবহেলায় জামাল হোসেন নামের এক জেলের মৃত্যুর অভিযোগ করেছে তার পরিবার।রোববার বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবে মৃত জামালের বাবা-মা বেঁচে না থাকায় তার পক্ষে বড় ভাই জামাল হোসেন ও বড় চাচি বিউটি বেগমসহ পরিবারের অনান্য সদস্যরা লিখিত এ অভিযোগ করেন।জামাল হোসেন উপজেলার ছোটটেংরা গ্রামের মৃতু হাবিবুর রহমানের ছেলে।জামালের চাচি বিউটি বেগম লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে নদীতে মাছ ধরতে যায় জামাল, তার বড় ভাই কামালসহ ৬ জেলে। তার কিছুক্ষণ পর কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে তাদের ট্রলারটি বলেশ্বর নদের বিহঙ্গ দ্বীপের কাছে নোঙর করে রাখে। হঠাত নোঙর করা ট্রলারটি উল্টে জেলেরা নিচে পরে।বিউটি বেগম জানান, কিছুক্ষণ পর অন্য জেলেরা বের হতে পারলেও জামাল উঠতে পারেনি। অনেক চেস্টা করে তার বড় ভাই মূমূর্ষ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে না দেখেই একটি ইনজেকশন দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নিয়ে যেতে বলেন। পরে বরিশাল না নিয়ে পাশ্ববর্তী মঠবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখাকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জামালকে মৃত জানান।মৃত জামালের বড় ভাই কামাল হোসেন কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন, হাসপাতালের ডাক্তার আনোয়ার উল্ল্যাহ যদি আমার ভাইকে দেখে চিকিৎসা দিত বা পেটের পানি বের করত তবে আমার ভাই মারা যেত না। হাসপাতালে কোনো রোগী আসলেই আনোয়ার উল্যাহ না দেখেই সবাইকে এভাবেই বরিশাল পাঠান।কামাল হোসেন বলেন, কারো সামান্য কিছু হলে যদি ঢাকা বা বরিশাল যেতে হয় তবে আমাদের এখানে হাসপাতাল থাকা আর না থাকা একই কথা। আমি এর বিচার চাই।এ ব্যাপারে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আনোয়ার উল্যাহ জানান, লাঞ্চে পানি জমে যাওয়ার কারণে একটি ইনজেকশন দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠান হয়েছে।-ডেস্ক