chirirbandar-badsha-photo-1-21-12-2016দেলোয়ার  হোসেন বাদশা (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বিনামূল্যের পাঠ্যবই রাখার গুদাম না থাকায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরকে। প্রতি বছর নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের সরকারী পাঠ্যবই শিক্ষা অফিসে আসে কিন্তু বই রাখার কোন গুদাম না থাকায় লাখলাখ পাঠ্যবই পার্শ্ববর্তী হাই স্কুলের শ্রেণিকক্ষে ও পরিত্যক্ত সরকারী ভবনে রাখা হয়। জানা গেছে, এ বছর মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার বই চিরিরবন্দর মডেল পাইলট স্কুলের শ্রেনিকক্ষে ও সরকারী পরিত্যক্ত ভবনের কোয়াটারে রাখা হয়েছে। এখান থেকে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ও মাদরাসায় বই সরবরাহ করা হচ্ছে। তারপরও  ৫ লাখ ৪২ হাজার বই রাখার জায়গা সংকুলান হচ্ছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ ২৭ হাজার পাঠ্যবই শুরু থেকে উপজেলা ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কক্ষে রেখে বিতরণ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর থেকে জানা যায়, এই উপজেলায় ১৯৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কিন্ডার গার্টেনসহ ২৮০টি, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা এবতেদায়ীসহ ১৩০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাকিরুল হাসান জানান, বইয়ের মতো মূল্যবান সম্পদ যত্রতত্র রাখা ঠিক নয় তবে আলাদা কোন গুদাম না থাকায় অসুবিধার মধ্যে হলেও যতেœ বইগুলি রাখা হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মঞ্জুরুল হক জানান, যেসব জায়গায় বইগুলি রাখা হয়েছে তা নিতান্তই পরিত্যক্ত ভবন ও স্কুল। তাই বই রাখার জন্য নির্ধারিত গুদাম নির্মান জরুরী।