(দিনাজপুর২৪.কম) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় এক গার্মেন্টকর্মী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনায় ভিকটিমের মা এছনাহার বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-২২৩/১৪। প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গতকাল বুধবার সকালে মামলার প্রধান আসামি সামাদ মিয়াকে (৩০) গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে। সে উপজেলার আঙ্গিয়াদি গ্রামের মৃত তাহের উদ্দিনের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, পাকুন্দিয়া উপজেলার চরটেকী বন্দেরবাড়ি গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে গার্মেন্টকর্মী নাসরিন আক্তার মৌ (২০)-এর সাথে এক বছর পূর্বে পরিচয় হয় সামাদের। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মন দেওয়া নেয়ার একপর্যায়ে গত ২ আগস্ট বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মৌকে ডেকে আনে প্রেমিক সামাদ। এরপর থেকে প্রেমিক সামাদ ও তার সহযোগীরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে আসছিল। একপর্যায়ে আঙ্গিয়াদী টানপাড়া মুর্শিদের বাড়িতে অবস্থানকালে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে ওই বাড়ি থেকে ভিকটিম মৌকে উদ্ধার করে। পরে মৌ এর ভাষ্য মতে অভিযুক্তদের গ্রেফতার অভিযানে নামে পুলিশ। বুধবার সকালে পাকুন্দিয়া সদর বাজার থেকে মামলার প্রধান আসামি প্রেমিক সামাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।-ডেস্ক