(দিনাজপুর২৪.কম) বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর ও সোনম কাপুর অভিনীত ছবি ‘বীরে ডি ওয়েডিং’ পাকিস্তানে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে ‘অশ্লীল দৃশ্য’ ও ‘অমার্জিত সংলাপ’ ব্যবহারের অভিযোগ করেছে পাকিস্তানি সেন্সর বোর্ড। বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তানের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সেন্সরস’র (সিবিএফসি) চেয়ারম্যান দন্যাল জিলানী আইএএনএস’কে বলেন, সিবিএফসি’র সকল সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে ‘বীরে ডি ওয়েডিং’ ছবিটি প্রদর্শনের জন্য ছাড়পত্র প্রদান করা হয়নি। ১৯৮০ সালের ফিল্ম সেন্সর আইন অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৯ মে রাতে পাকিস্তানের সেন্সর বোর্ডে ছবিটি প্রদর্শিত হয়। এরপর বোর্ড পাকিস্তানে এর মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। বোর্ডের সদস্যদের কাছ থেকে সমালোচিত হওয়ার পর ডিস্ট্রিবিউশন ক্লাব ছাড়পত্রের জন্য করা আবেদনপত্রও প্রত্যাহার করেছে। এদিকে চার নারীর জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত শশাঙ্ক ঘোষ পরিচালিত ‘বীরে ডি ওয়েডিং’ আজ ভারতে মুক্তি পাচ্ছে।

এতে অভিনয় করেছেন চার অভিনেত্রী কারিনা, সোনম, সারা ভাস্কর ও শিখা তালসানিয়া। মা হওয়ার পর এই প্রথম সাইফ আলী খান ও কারিনা বড়পর্দায় ফিরছেন। পাশাপাশি বিয়ের পর সোনমের এটিই প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। এটি প্রযোজনা করেছেন সোনমের বোন রিয়া কাপুর। এছাড়া সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েছেন সোনম কাপুর। কদিন আগেই বিয়ে করেছেন এ নায়িকা। ঐতিহ্য মেনে মঙ্গলসূত্রও পরছেন। তবে আর পাঁচজনের মতো গলায় ঝোলাননি, তিনি মঙ্গলসূত্র বেঁধে নিয়েছেন বাঁ হাতের কবজিতে। ব্যস, সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা।

‘বীরে ডি ওয়েডিং’ ছবির প্রমোশনে হাতে মঙ্গলসূত্র পরে হাজির হয়েছিলেন সোনম। নতুন ট্রেন্ড তৈরির জন্য ফ্যাশন বোদ্ধারা তার প্রশংসাও করেন। কিন্তু ফেটে পড়ে টুইটার দুনিয়া। বেশিরভাগেরই বক্তব্য, গলার বদলে কবজিতে মঙ্গলসূত্র পরে সোনম ভারতীয় সংস্কৃতি ও বিয়ে নামক বন্ধনের অপমান করেছেন। টুইটারে একজন বলেন, মঙ্গলসূত্র কেউ কাউকে পরতে বাধ্য করে না। এটা স্বামীর প্রতি স্ত্রীর ভালোবাসার প্রতীক। গলায় পরা হয় যাতে হৃদয়ের কাছাকাছি থাকে। বলিউড নায়ক-নায়িকাদের জন্মকর্ম বিদেশে, আমাদের সংস্কৃতির প্রতি ওদের কোনো ভালোবাসা নেই। সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে বলিউড। আরেকজন বলেন, ধর্ম মানবে না, মেনো না। নাটক করার দরকার কী। অন্যজনের মতে, এটাই নারীবাদীদের সমস্যা। ঐতিহ্য নাই বা মানলে। কিন্তু নিজের সুবিধেমত তাকে পাল্টানোর চেষ্টা একেবারে ভুল। -ডেস্ক