(দিনাজপুর২৪.কম) পাইকগাছায় পৌর অভ্যন্তরে চিংড়ি ঘেরের লবণ পানিতে সয়লাব হয়ে বাড়ী-ঘর, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, ফসলী জমি, ক্ষেত-খামার, মিষ্টি পানির মাছ সহ ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমপি, মেয়রের নির্দেশনা উপেক্ষিত। হাতে গোনা কয়েকজন ঘের মালিকের কারণে এ অবস্থার জন্য দায়ী করেছেন স্থানীয় কমিশনার রবিশংকর। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্থরা জানিয়েছেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের দেখভালের অভাবে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত দু’দিনে চিংড়ি ঘের মালিকরা পৌর অভ্যন্তরে সংযোগ খালের বাঁধ কেটে কৃতিম জোয়ার সৃষ্টি করলে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাড়ী-ঘর, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, ক্ষেত-খামারে লবণ পানি ঢুকে সয়লাব হয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন। এমনকি লবণ পানির কারণে মিষ্টি পানির পুকুরের মাছও মারা গেছে। জানা গেছে, ইতোপূর্বে স্থানীয় এমপি ও মেয়রের বরাত দিয়ে পৌর অভ্যন্তরে লবণ পানি উত্তোলন বন্ধের জন্য মাইকে ঘোষণা করা হলেও ঘের মালিকদের কারণে তা কার্যকর হচ্ছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল করিম অভিযোগ করেছেন, এ ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। ৫নং ওয়ার্ড ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিশংকর মন্ডল পূর্ব অভিজ্ঞতা ও লবণ পানিতে ক্ষয়-ক্ষতির কথা জানিয়ে বলেন, হাতে গোনা কয়েকজন ঘের মালিকের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো জানান, ইতিপূর্বে এমপি, মেয়রের নির্দেশনায় স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে সংযোগ খালে বাঁধ দেয়া হলেও রাতের আঁধারে কে বা কারা এ বাঁধ কেটে দিলে সে নির্দেশনা ভেস্তে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রসঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা প্রকৌশলী শহিদুল্লাহ মজুমদার বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে যারা পৌরসভায় লবণ পানি তুলে ক্ষয়-ক্ষতি ও পরিবেশ নষ্ট করছে তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে।