(দিনাজপুর২৪.কম) রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদকে মোবাইলে হুমকী দেওয়ায় গত ২১ মার্চ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সে পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত দরখাস্থ দেয়। তার পরও ক্ষতি করার হুমকী দিয়ে যাচ্ছিল একদল দুর্বৃত্ত। ভয়ে ভয়েই সময় পার হচ্ছে পাংশার ওই সাংবাদিকের। এরই মাঝে বুধবার রাত ১২টায় পুলিশের লোকেরাই তার বাসায় হানা দেয়। এসময় সাংবাদিক কালাম অবশ্য বাড়ী ছিলো না।

কালামের স্ত্রী নারগিস পারভীন জানান, রাত ১২টায় আমার ছোট বোন তানিয়াকে নিয়ে ঘুমোতে যাই। এসময় পুলিশ পরিচয়ে ১০ জন লোক বাড়ীর গেটে আসে। তাদের ৫ জনের পুলিশের পোশাক পড়া ছিলো। ৩ জনে সাধারন প্যান্ট- শার্ট ও ২ জনের লুঙ্গি পড়া। এরা বাড়ীতে ঢুকে তন্ন তন্ন করে খোজাখুজি করে। পরে কিছু না পেয়ে চলে যায়। ওই টিমে পুলিশের ৩ জন পরিদর্শক ছিলো পরিচিত। এরা হলো এসআই শহিদ আহমেদ, এএসআই সৈয়দ আলী ও এএসআই আ: ছাত্তার।

এ ঘটনা জানার পর সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকাকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি এ ব্যাপারে অবগত নন বলে ওই সাংবাদিককে জানান। পরে পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ মোফাজ্জেল হোসেনকে অবগত করলে তিনিও একই কথা বলেন। প্রশ্ন উঠেছে ৩ অফিসারসহ কারা এসেছিলো ওই বাসায়। কেনই বা অবগত করেননি ওসি মোফাজ্জেল হোসেনকে। রাতেই এ ঘটনা জানার পর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দৈনিক বাঙ্গালী খবর পত্রিকার সাংবাদিক ফোরাম। সাংবাদিকগন এ ঘটনার নিন্দা ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করেছে।