(দিনাজপুর২৪.কম) বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায়ননতুন পাঁচজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শপথ নিয়েছেন। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান।
পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসি। এ ছাড়া নতুন প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ তারানা হালিম ও লালমনিরহাটের সাংসদ নুরুজ্জামান আহমেদ। শপথ গ্রহণের পর পরই মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর পুনর্বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন তারানা হালিম এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নুরুজ্জামান আহমেদ।

এদিকে মন্ত্রণালয় হারানোর আশংকায় রয়েছেন কয়েকজন মন্ত্রী। শোনা যাচ্ছে রেলপথ মন্ত্রণাল, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ত্র্যাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আসন হারাতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা-কল্পনা ছিল মন্ত্রিসভা রদবদলের। বেশ কয়েকজনকে নিয়ে জোর গুঞ্জনও ছিল। কিন্তু হঠাৎ সবাইকে অবাক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদল হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সাত জন নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ৫জনকে শপথ করানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ করে মন্ত্রিসভায় এত বড় একটি পরিবর্তন আনলেন যা আলোচনায়ই ছিলো না। দলের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কান্ডারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই মন্ত্রণালয় নিয়ে এর আগে কমবেশি অভিযোগ যে ছিলো না তা নয়। তবে তাকে মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে-এমনটি কারো ভাবনাতেই ছিল না। আশরাফুল ইসলামকে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় বসানো হয়েছে মন্ত্রিসভার আরেক প্রভাবশালী সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। তিনি নিজের মন্ত্রণালয়ের বাইরে নতুন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করার পর মন্ত্রিসভায় যোগ-বিয়োগ সম্ভাবনার যে কথা আলোচনা হচ্ছিলো, দুয়েকদিনের মধ্যে তা বাস্তব রূপ নিতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সকল কর্মকর্তাকে মঙ্গলবার দপ্তরে থাকতে বলা হয়েছে। পরিবহন পুলে প্রস্তুত করা ছয়টি গাড়ির মধ্যে মঙ্গলবার ৫টি গাড়ি ওই পরিবহন পুল থেকে বঙ্গভবনে নেওয়া হয়েছে। ডা. আবদুর রাজ্জাক গত মেয়র নির্বাচনে সাঈদ খোকেনের নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন। তার পারফরমেন্সে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী খুশি বলে জানা গেছে। এ ছাড়া লতিফ সিদ্দিকী মন্ত্রিত্ব হারানোর পর টাঙ্গাইলের কোটায় তার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়েছে। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এ ব্যাপারে বলেন, এসব (মন্ত্রী নিয়োগ) প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপার। আমি গ্রামে আছি।
মন্ত্রিসভায় রদবদলের বিষয়টি গত সোমবার নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইঞা। মঙ্গলবার তিনি বলেন, মন্ত্রিপরিবষদে রদবদলের নামের তালিকা আমাদের ওয়েবসাইটেও দেখতে পাবেন।(ডেস্ক)nbjb jnjjhn