(দিনাজপুর২৪.কম)  জয়পুরহাটের পাঁচবিবির কয়া ও হাটখোলা সীমান্তে দিয়ে অবৈধপথে আসছে গরু। দিন-রাত বিভিন্ন হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্যে ভটভটিতে লোড হচ্ছে ভারতীয় গরু। গুটি কয়েক কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বে বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ব্যাপকভাবে পাচার হয়ে আসছে ভারতীয় গরু। এদিকে এসব চোরাইপথ দিয়ে আসা গরুর কড়িডোর না হওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এলাকা ঘুরে জানা গেছে, কয়া ও হাটখোলা সীমান্তের আওতাধীন বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিরাতে চোরাইপথে দেশে প্রবেশ করছে ভারতীয় নাভি ঝোলা ও বলদ গরু। এ  সব নিয়ন্ত্রণ  করছে    এলাকার     প্রভাবশালী গরু ব্যবসায়ী কয়া সীমান্তে সুমন, লেবু, খায়রুলসহ রয়েছে ১০-১৫ জনের  ভারতীয় গরু    ব্যবসায়ীর বিশাল সিন্ডিকেট। হাটখোলায় রয়েছে নূর হোসেন, আসলাম। এদের  নিয়ন্ত্রেণে রয়েছে শতাধিক গরু পাচারকারী সদস্য। এরা হতদরিদ্র হওয়ায় প্রভাবশালীরা নাম মাত্র পারিশ্রমিক দিয়ে জীবনের     ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়ে পাচার করে আনছে শত শত গরু ও মহিষ। এলাকাবাসী জানায়, ভারত থেকে চোরাপথে গরু এনে বিশেষ ক্ষমতার দাপটে প্রতি মঙ্গলবার  ও  শনিবার  প্রশাসনের  নাকের  ডগায়     সীমান্ত সংলগ্ন চেঁচড়া মোড় থেকে ভটভটি, টেম্পুসহ নানা বাহনে  লোড   করে   বিক্রয়ের   জন্য    গন্তব্যে চলে গেলেও দেখার কেউ নেই।
উল্লেখ্য যে দীর্ঘদিন থেকে জয়পুরহাট-৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিন কিছু সীমান্তে অনাকাঙ্কিত ঘটনা ঘটার কারণে বিট ও কড়িডোর সাময়িক বন্ধ করা হয়। কিন্তু বিট কড়িডোর বন্ধ রাখার পর ও উল্লেখিত গরু ব্যবসায়ীরা সীমান্তের বিভিন্ন জনকে ম্যানেজ করে প্রতি রাতে শত শত গরু দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করিয়ে, বিভিন্ন সংস্থার নামধারী ব্যক্তি প্রভাব শালী মহল, লাইনম্যানসহ অন্যদের পকেটে হাজার হাজার টাকা ঢুকলেও সরকার এ খাত থেকে প্রতিদিন রাজস্ব হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
এ ব্যাপারে আটাপাড়া বিওপি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার বরকত উল্লাকে বলেন, আজকে (শনিবার) সকালে আমরাও সংবাদ পেয়েছিলাম ভারত থেকে গরু এনে চেঁচড়া মোড়ে ট্রাক লোড হচ্ছে। কিন্তু এলাকাতে অভিযান চালিয়েও আমরা গরুর কোন সন্ধান পাইনি। -ডেস্ক