ফাইল ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম)করোনাভাইরাস আতঙ্কের মাঝেই পদ্মা সেতুতে বসাল ২৯তম স্প্যান। ১৯ ও ২০ নম্বর পিলারের ওপর এই স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে ৪ হাজার ৩৫০ মিটার দৃশ্যমান হলো।

সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১৯ ও ২০ নম্বর পিলারের ওপর ২৯তম স্প্যানটি স্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে।

পদ্মা সেতু বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আ. কাদের জানান, সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১৯ ও ২০ নম্বর পিলারের ওপর ২৯তম স্প্যানটি বসানো হয়েছে।

এর আগে সকালে স্প্যানটিকে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে আনা হয়

নির্ধারিত পিলারের কাছে।

ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটিকে স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয় ১৯ ও ২০ নম্বর পিলারে। করোনা আতঙ্কের মধ্যেওই এ নিয়ে পাঁচটি স্প্যান বসানো হয়েছে।

মূল সেতুর ৪১ স্প্যানের মধ্যে মাওয়ায় আছে ৩৯টি। যার মধ্যে ২৯টি স্থাপন করা হয়েছে এবং ১০টি মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ওয়েল্ডিং, অ্যাসেম্বলি ও পেইন্টিংয়ের কাজ চলছে। বাকি দুটি স্প্যান যা মিলে ২৩০টি নোড/কর্ড অংশ, এরই মধ্যে ১৯৩ চীন থেকে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মাওয়া পৌঁছে যাবে আশা করা যায়।

প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। এরই মধ্যে সব পাইলিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু বিভাগ।

সেতু বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দেয়ান আ. কাদের বলেন, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে সেতুর প্রায় ৮৮.০৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যে সব স্প্যান বসিয়ে সেতুটি দৃশ্যমান করে তুলব বলে আশা করছি।-ডেস্ক