সুকুমার দাস (দিনাজপুর২৪.কম) অভিযোগ পাওয়া গেছে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ৩নং বেংহাড়ি ইউনিয়নের শালসিড়ি বনগ্রাম এলাকার অসহায় গরিব মোঃ নুর আলম, পিতা- আব্দুল বাতেন এই অসহায় গরিব নুর আলম অনেক কষ্টে বাড়ির উঠানে একটি বয়লার মুরগীর খামার দেন। সেই খামারের আয় দিয়ে নুর আলম খুব কষ্টে পিতা, মাতা ও পরিবারকে নিয়ে বেশ ভালোই চলছিল। এমতাবস্থায় একই গ্রামের দুধর্ষ মোঃ সিদ্দীক(৪২), যে পঞ্চগড় ফুলতলা শালসিড়ির করতোয়া নদীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে দিনে রাতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে করতোয়া নদী থেকে অবৈধ ভাবে পাথর ও বালি উত্তোলন করে আসছিল। এ বিষয়ে এলাকাবাসী বিভিন্ন মহলকে অভিযোগ করে আসছেন। গত ৩০/০৮/২০১৭ইং তারিখে ভোর আনুমানিক ৫.০০ ঘটিকার সময় ভ্রাম্যমান আদালত বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মোঃ সিদ্দীকের ৪টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করে অবৈধ ড্রেজার মেশিনগুলো জালিয়ে দেয়। তার পর ভ্রাম্যমান আদালত পঞ্চগড় বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পরেই অবৈধ ড্রেজার মেশিন মালিক মোঃ সিদ্দীক, গরিব অসহায় নুর আলমকে দোষারোপ করে তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গাল মন্দ করতে থাকে। সেই সূত্র ধরে ০২/০৯/২০১৭ইং তারিখ রাতে সিদ্দীক ও তার সহযোগী মোঃ রাজিব, পিতা- মোঃ জয়নাল ইদুর মারা গ্যাসের ঔষধ রাতের আধারে নুর আলমের খামারে ছিটিয়ে দেয়। তার পর থেকেই হত দরিদ্র মোঃ নুর আলমের খামারে একের পর এক মুরগী মারা যেতে থাকে। এ নিয়ে উল্টো মোঃ সিদ্দীক, মোঃ নুর আলমকে মামলা না করার জন্য বিভিন্ন হুমকি ধুমকি প্রদান করে। নুর আলম ও তার পরিবার চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। না জানি রাতের আধারে আবার কি করে বসে। নুর আলমের যে ক্ষতি হয়েছে তা প্রায় ১,৭০,০০০/- (এক লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা। এ বিষয়ে নুর আলম থানায় একটি জিডিও করেছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত নুর আলম কোন ফায়সালা ও ক্ষতি সাধনের বিচার পান নাই। তবে এলাকার সূত্রে জানা গেছে মোঃ সিদ্দীক প্রতিনিয়ত যেভাবে রাতের আধারে ড্রেজার মেশিন চালায় ড্রেজার মেশিনের বিকট শব্দে রাতে গ্রামবাসী ঘুমাতে পারে না। এলাকার সকলের দাবি এই অবৈধ ড্রেজার মেশিন বন্ধের। এই ড্রেজার মেশিন যেমনি ক্ষতি করছে মানুষের ঘুম তেমনি ক্ষতি করছে করতোয়া নদীর দুকুল। বিলিন হচ্ছে অনেক ফসলি জমি আর সিদ্দীক লুটে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ফাঁকি দিচ্ছে সরকারকে।