(দিনাজপুর২৪.কম) পঞ্চগড় জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী গ্রেফতার করে ৮৫২ মামলা ৭১৭ ভ্রাম্যমানসহ। আসামীর নাম: মোঃ বাবুল হোসেন, পিতা- মৃত মান্নান, সাং- পুরাতন পঞ্চগড়, ধাক্কামারা, উপজেলা ও জেলা- পঞ্চগড় সে একজন ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর থানায় চারটি মামলা চলমান আছে। মামলা নং-৪/৩১৯, তারিখ: ০৩ অক্টোবর ২০১৭ সময় ১৪.১৫, ধারা: ১৯ (১) এর তিন এর (ক) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত আসামী। মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, পিতা- মোঃ মমিন, ধাক্কামারা, উপজেলা ও জেলা-পঞ্চগড়। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি ফেন্সিডিল বিক্রয়ের মামলা আছে। পঞ্চগড় এর সদর থানার এফআইআর নং-৩৭/৩৮৭, তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০১৭, সময়: ১৪.৩৫ ধারা, ২৫ বি (২), ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত আসামী রয়েছে। মোঃ বিপ্লব, পিতা- মৃত আবু এছাহাক, গ্রাম- কায়েতপাড়া, উপজেলা ও জেলা-পঞ্চগড়, মামলা নং-০৫, তারিখ: ১৫/০৫/২০১৫ইং, ধারা: ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(খ)(২) সে একজন ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী। মোঃ মান্নান, পিতা- মৃত ওহাব , সাং- নারায়নজোত, উপজেলা- তেতুলিয়া, জেলা-পঞ্চগড় মামলা নং-০৩, তারিখ: ০৭/০২/২০১৫ইং, ধারা: ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ৭(ক), দু’টি গাঁজা ব্যবসায়ীর মামলা রয়েছে। মোঃ রুবেল, পিতা- শরীফ উদ্দীন, সাং- ডাঙ্গাপাড়া, উপজেলা- তেতুলিয়া, জেলা-পঞ্চগড়। তার বিরুদ্দে তিনটি মামলা রয়েছে ফেন্সিডিল ও গাঁজা। মামলা নং-১১, তারিখ: ৩০/১২/২০১৩ইং, ধারা: ১৯৭৪ সালের ২৫(খ)। মোঃ নুর আলম, পিতা- মোঃ মসলিম উদ্দীন, সাং- কালিকাপুর, উপজেলা- আটোয়ারী, জেলা-পঞ্চগড়, মামলা নং-১০, তারিখ: ১৭/০৯/২০১৫ইং, ধারা: ১৯৯০ সালের ১৯ (১) এর ৭ (ক), তার বিরুদ্ধে দুটি গাঁজার মামলা রয়েছে। মোঃ সুলতান, পিতা- ইসমাইল, সাং- ছোপড়াঝাড়, উপজেলা- আটোয়ারী, জেলা-পঞ্চগড়, সে একজন ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে দু’টি মামলা, মামলা নং-০২, তারিখ: ০৪/০৬/২০১৫ইং, ধারা: ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(খ)(২)। মোঃ রফিকুল ইসলাম, পিতা- মৃত গছির উদ্দীন, সাং- দারখোর নদী ডাঙ্গী, উপজেলা- আটোয়ারী, জেলা-পঞ্চগড়, মামলা নং-১৮, তারিখ: ১৮/১১/২০১৫ইং, ধারা: ১৯৯০ সালের মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন ২২ (গ) সে একজন ফেন্সিডিল এবং বাংলা মদ ব্যবসায়ী। এছাড়াও মোঃ নওশেদ, পিতা- মৃত খুরশেদ, সাং-পুরাতন আটোয়ারী, উপজেলা- আটোয়ারী, জেলা-পঞ্চগড় এর বিরুদ্ধে ৭টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোঃ রুহুল আমিন, পিতা- মৃত খয়রুল ইসলাম, সাং- রৌশনাবাগ, উপজেলা ও জেলা-পঞ্চগ এর বিরুদ্ধে ৬টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোঃ শাহা নেওয়াজ আলম, পিতা- মৃত ইয়াহিয়া, সাং- কায়েতপাড়া, উপজেলা ও জেলা-পঞ্চগড় এর বিরুদ্ধে ৪টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোঃ আজিজুল ইসলাম, পিতা- খলিলুর রহমান, সাং- রৌশনাবাগ, উপজেলা ও জেলা-পঞ্চগড় এর বিরুদ্ধে ৫টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোঃ আনোয়ার হোসেন, পিতা-মৃত আব্দুর সামাদ, সাং- দেবীগঞ্জ কলেজপাড়া, উপজেলা- দেবীগঞ্জ, জেলা-পঞ্চগড় এর বিরুদ্ধে ৩টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোঃ শহীদুল ইসলাম, পিতা- মৃত দুনদিয়া, সাং- পুরাতন পঞ্চগড় আটোয়ারী, উপজেলা ও জেলা-পঞ্চগড় এর বিরুদ্ধে ৭টি মামলা রয়েছে। মোঃ শাহাজান আলী, পিতা- আবুল কাশেম, সাং- দারখোর নদীডাঙ্গী, উপজেলা- আটোয়ারী, জেলা-পঞ্চগড় এর বিরুদ্ধে ৩টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোঃ আব্দুল আল কাফি ওরফে আসিফ, পিতা- মোঃ কামাল উদ্দীন, সাং- ফকিরপাড়া, উপজেলা- তেতুলিয়া, জেলা-পঞ্চগড় এর বিরুদ্ধে ২টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোঃ ফরাদ হোসেন স্বপন, পিতা- মৃত শামসুর তৌহিদ, সাং- নয়াপাড়া, নয়াবাড়ী, পঞ্চগড় এর ৪টি মাদক সংক্রান্ত মামলা। মোছাঃ মরজিনা বেগম, স্বামী- নাছির উদ্দীন, নাসির বিহালী, সাং- বেলুপাড়া, ভজনপুর, জেলা-পঞ্চগড় সহ পঞ্চগড় জেলার ৫টি থানায় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর নামে সংশ্লিষ্ট থানা ও আদালতে একাধিক মাদক সংক্রান্ত মামলা চলমান আছে। এ পর্যন্ত ৪৪ কেজি গাঁজা, ৯০ গ্রাম হেরোইন, ৩৫ পুরিয়া হেরোইন, ১৩৬৫টি নেশা জাতীয় ইনজেকশন, ৩৩৭৪ পিচ ইয়াবা, ১২৭৬ বোতল ফেন্সিডিল, ৩৮ বোতল মদ, ১৫১ লিটার বাংলা মদ, ২০টি গাঁজার গাছ, ৭৫ গ্রাম ভাং উদ্ধার করে জব্দ করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ সংক্রান্ত ভ্রাম্যমানসহ ৮১৭টি মামলা চলমান আছে এবং ৮৫২ জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে। মাদক সেবন ও ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে কঠোর হস্তক্ষেপ নিয়েছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। মাদক নির্মূল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে। মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যাপারে বোদা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা আঃ রহমান (প্রভাষক), আটোয়ারী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দবিরুল ইসলাম, পঞ্চগড় সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ছপিজ উদ্দীন, মুক্তিযোদ্ধা সামসুল হক, তেতুলিয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসান আলী (মাস্টার), দেবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা স্বদেশ চন্দ্র রায়, মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুল হক ভুইয়া। তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তিন বছরে মাদক নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী শতকরা ৯০% কমে এসেছে। তাই বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি ইচ্ছে করে তাহলে তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মাদক নির্মূল বাংলাদেশ ঘোষণা করতে পারে, যেমন সোনার বাংলা ঘোষণা দিয়েছিলেন।