সুকুমার দাস বাবু, পঞ্চগড় প্রতিনিধি (দিনাজপুর২৪.কম) পঞ্চগড়ে পশু ডাক্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ। সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে মো: আবু সাঈদ বাদশার পুত্র মো: জসিমউদ্দীন, গ্রাম সদর ইউনিয়নের টোকা পাড়া, তিনি একজন ভালো ও সুদক্ষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রাণী চিকিৎসক। তিনি গুরুত্বের সাথে পশু পাখির ভালোভাবে চিকিৎসা দিয়ে আসায় তার এলাকায় বেশ সুনাম ছরিয়ে পরে এবং জসিমউদ্দীন একজন যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পশু চিকিৎসক। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে পশুর সু-চিকিৎসা দিয়ে আসায় প্রতিযোগীতা মূলক এলাকায় জসিমের বেশ সুনাম রয়েছে। কতিপয় তারি কিছু প্রতিদন্দি জসিমের সুনাম নষ্ট করার জন্য উঠেপরে লেগেছে। গত ২৮/০৮/২০১৮ইং তারিখে জসিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষীদ্বার করিয়ে এলাকার মো: নজরুল ইসলাম, পিতা- মো: মোকছেদ আলী, পশু চিকিৎসক জসিমের বিরুদ্ধে জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা বরাবরে মিথ্যা অভিযোগ করে। বিষয়টি জসিমউদ্দীন জানতে পারলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করার প্রতিবাদ করেন এবং গনমাধ্যম কর্মীদের অভিযোগ জানান। বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা সরেজমিনে প্রতিটি মিথ্যা অভিযোগ কারীর স্বাক্ষীগণের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানতে পারেন এসব স্বাক্ষীগণ কেউ অভিযোগ বিষয়ে কিছুই জানেন না। মো: নজরুল ইসলাম নিজেই এসব স্বাক্ষীগণের অজান্তে স্বাক্ষী করেছেন এবং মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে মো: জসিমকে আর্থিক ও সামাজিকবাবে হেও করার চেষ্টা চালিয়েছেন তবে জানাযায় এর পিছনে এলাকার কিছু পশু ডাক্তারের চক্রান্ত রয়েছে। তাই মো: জমিসউদ্দীনের পরিবারের পক্ষ থেকে বলেন এসব কুচক্রিমহলদের বিরুদ্ধে সমাজে কেন সু-শাসন প্রতিষ্ঠা হয় না। এরা গ্রামের সহজ সরল মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। প্রতিটি গ্রামে মহল্লায় দরকার সু-শাসন প্রতিষ্ঠত ও দুনীতি দমন, তা না হলে মো: জসিমের মত এরকম অনেক অসহায় মানুষ মিথ্যাচারীদের কবলে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় জরিয়ে বিভিন্নভাবে হয়নির শিকার হচ্ছেন। এসব কুচক্রি মহলের বিরুদ্ধে আইনানুগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান জসিমের পরিবারের লোকজন।