সুকুমার দাস বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) পঞ্চগড়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এলাকার সন্ত্রাসীদের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটে। রবিবার পঞ্চগড় ৩নং সদর ইউনিয়নের শিংপাড়া/কনপাড়া গ্রামে মৃত শরিফউদ্দীনের স্কুল পড়–য়া মেয়ে মোছাঃ শরীফা(১৫), বাল্য বিয়ের কথা জানতে পেরে সাংবাদিকরা ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে গেলে এলাকার কিছু বদ-মেজাজী অশিক্ষিত সন্ত্রাসী সাংবাদিকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেখানকার মহিলা ইউপি সদস্য মোছাঃ সাহেরা বানু সাংবাদিকদের সাথে থাকার পরেও ইউপি সদস্য মোছাঃ সাহেরা বানু কোন কর্ণপাত না করে সন্ত্রাসীদের গোপনে সহযোগীতা করার কারনেই এই ঘটনাটি ঘটে। ঐ সব সন্ত্রাসীদের ইন্ধন দেয় ঐ এলাকারী আরও দুই জন তারা হলেন মোঃ সিরাজ ও সুলতান প্রফেসার। তাদের ইন্ধনেই সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং লাঠি সোটা নিয়ে মারতে এগিয়ে আসে। পরে সাংবাদিকরা নিরুপায় হয়ে প্রশাসনের সরণাপর্ণ হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউএনও ও ইউপি চেয়াম্যানের সহযোগীতায় বিষয়টি সমাধানে আসে। তা না হলে পুরো বিষয়টি সাংবাদিকদের বিপক্ষে পরিচালিত করে সাংবাদিকদের হয়রানি করার চেষ্টা করছিল ঐ ইউপি সদস্য মোছাঃ সাহেরা বানু, প্রফেসার সুলতান ও মোঃ সিরাজ। প্রভাবশালী সুলতান প্রফেসার পুরো বিষয়টিকে উল্টিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলায় জড়ানোরও হুমকী দেয়। তিনি আরও হুমকী দিয়ে বলেন যে, পুলিশ আমার পকেটেই থাকে। এই যদি হয় সমাজের বর্তমান প্রেক্ষাপট তাহলে কিভাবে মানুষ এই সমাজে বিচরণ করবে। এটাই এখন ভাববার বিষয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দূর্নীতি দমনে সরকারের সৎ ইচ্ছা থাকলেও এই সব মানুষের কারণে সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে তাতে কোন সন্দেহ নেই বললেই চলে।