মোঃ সুকুমার দাস (বাবু) পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি (দিনাজপুর২৪.কম) পঞ্চগড় জেলায় এ মৌসমে ধানের শেষ মাত্রা, এরই মধ্যে চালের দাম বারছে দফায় দফায়। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে শুধু মাত্র পাইকারী মূলে প্রতি বস্তা চালের দাম বেড়েছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন স্থানীয় বাজরে ধানের দাম বৃদ্ধির পাশা-পাশি বড় বড় ডিলাররা চাল মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির কারণে সামনের দিনে চালে দাম বারবে। হঠাৎ করে চালের মূল্য দৃদ্ধিতে চরম দূভোগ পোয়াচ্ছে সল্প আয়ের খেটে খাওয়া গরিব মানুষ। গ্রামের হাট বাজর থেকে কয়েকদিন আগের মূলের চেয়ে তাদের কেজি প্রতি চালের জন্য ৫-৬ টাকা পর্যন্ত বেশি গুনতে হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের পাইকারি চালের আরত গুলোতে গিয়ে দেখা গেছে মোটা ও চিকন সকল প্রকার চালের দাম উদ্ধগতি। সাধারণ মানুষ যে চাল খায় সে চালের দাম বেরেছে বেশি, চালের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন গত এক সপ্তাহে প্রতি বস্তা অটোসুটি পারি চাল স্থির চালের বাজার ১৭০০ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে। এছাড়া আঠাশ মেনিকেট সহ অন্যান্য চালের দাম বস্তা প্রতি বেড়েছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। পাইকারি বাজারে চালের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পরেছে গ্রাম অঞ্চলের হাট বাজার গুলোতেও। ১৮০০ টাকা বস্তাদরে পাইকারি অটোসুটি পারি চাল কিনে তারা প্রতি কেজি চাল বিক্রয় করছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা দরে। স্থানীয় হাস্কিং মিলের ছাটাই কৃত ৩৫ টাকা দরে স্বর্ণ পারি চালের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এক সপ্তাহে আগে প্রতি কেজি আটাশ চাল বিক্রয় হয়েছিল ৪২ টাকা দরে এখন সে চাল বিক্রয় হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা দরে। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি জেলা শহর থেকে দোকান গুলো পর্যন্ত চাল আনতে খরচ সহ কিছুটা লাভে তাদের এসব চাল বিক্রয় করতে হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন বাজারে হঠাৎ করে ধানের দাম বেড়ে যাওয়া চালের দামও বেড়েছে। জেলা শহরের জগদল, মডেল, হাড়িভাসা, বোদা, ঝলই, তেঁতুলিয়া, শালবাহান সহ হাট বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে কয়েকদিনের ব্যবধানে ধানের দাম কিছুটা বেড়েছে। ১৮ দিন আগে স্থানীয় জাতের স্বর্ণ, গুটি ও  পারি ধান বিক্রয় হয়েছিল প্রতি মন ৭৮০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা দরে। এখন সে ধান বিক্রয় হচ্ছে ৮২০ থেকে ৮৬০ টাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হাট বাজার থেকে এসব ধান কিনে নিয়ে যাচ্ছেন অটো রাইস মিলে। সব কিছু মিলে চালের দাম বাড়ায় খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট বারছে বলে জানায় খেটে খাওয়া মানুষেরা।