সেলিম সোহাগ, পঞ্চগড় (দিনাজপুর২৪.কম)   পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার চরতিস্তাপাড়া গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের নাম করণ করে প্রতিটি মিটারে পাঁচ হাজার টাকা নেয় দালাল চক্র। এই নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। চরতিস্তাপাড়া এলাকাবাসী পক্ষ হয়ে ১নং চিলাহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল মোস্তাহারুল নয়ন এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করেন। আবেদনকারীর নাম মোঃ আমজাদ আলী, পিতা- মোঃ আঃ জলিল সহ অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত আসামী মোঃ সুলতান আলী, পিতা- সমীর শেখ, মোঃ চান মিয়া, পিতা- মোঃ জামাল, মোঃ রাজ্জাক, পিতা- মতিয়ার চরতিস্তাপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। ওনাদের কাছে জানতে চাইলে আমরা টাকা তুলেছি ইহা সত্য। তবে আমরা টাকা আত্মসাধ করি নাই। এই টাকা পল্লী বিদ্যুতের ইলেকট্রিশিয়ান মোঃ লিটন এর কাছে সমস্ত টাকা জমা দিয়েছি। এই ব্যাপারে চিলাহাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চাইলে ওনি বলেন, টাকা নিয়েছে এটা সত্য, আমাকেও দু’শটি মিটারে দেড় লক্ষ টাকা দিতে চেয়েছিল, আমি টাকা নিই নাই। তবে আমি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখি যে, প্রত্যেকটি বাড়ীতে পাঁচ হাজার টাকা, বাড়ী প্রতি তিন কেজি করে চাল তুলেছে, চালের পরিমাণ ১৮ মণ, টাকার পরিমাণ চার থেকে পাঁচ লক্ষ। এই ব্যাপারে পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বাংলাদেশ হাইকোটের আইনজীবী বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য বোদা-দেবীগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলাম সুজনকে অবগত করেছি। ওনি আমাকে বলেছেন বিনা পয়সায় সরকার বিদ্যুৎ দিবেন কোন টাকা পয়সা লাগবে না। এটা আমার কথা নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইস্তেহার। যদি কেউ বিদ্যুতের নাম করে গরিব ও মেহনতী মানুষের কাছে টাকা নিয়ে থাকে, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। ইলেকট্রিশিয়ান লিটনের কাছে জানতে চাইলে ওনি বলেন, টাকা নিয়েছি ইহা সত্য, আমরাই টাকা একাই খাই না, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম ইমদাদুল ইসলামসহ প্রতিটি পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের টাকার ভাগ দিতে হয়, না দিলে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকে বিদ্যুতের জন্য পথচেয়ে বসে থাকতে হয়। তাই আইনের দৃষ্টি গোচর করা গেল।