(দিনাজপুর২৪.কম)  পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় কলেজ পড়ুয়া মেধাবী শিক্ষার্থী শাহানাজ আক্তার (২০) কে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগে প্রেমিক রবিউল ইসলাম ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলার পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। পঞ্চগড় শের-ই বাংলা পার্ক সংলগ্ন ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অভিযুক্ত রবিউল ইসলামসহ মামলার অন্য আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান তারা। অভিযুক্ত রবিউল উপজেলার খুটাগছ এলাকার আব্দুল হাইয়ের ছেলে। ভুক্তভোগী শাহানাজ আক্তার বর্তমান তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসারত। সে পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রবিউলের বড় ভাই হাসিবুল ইসলামের স্ত্রী রূপালী আক্তারের সহপাঠী ভুক্তভোগী শাহানাজ আক্তার। রূপালীর বিয়েতে রবিউলের সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। চার বছর ধরে বিয়ের কথা বলে রবিউল ওই তরুণীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে। কিš ‘শাহানাজ আক্তার বিয়ের তাড়া দিলে রবিউল এরিয়ে চলে। গত ২৬ অক্টোবর ভুক্তভোগি শাহানাজ আক্তারের অজান্তে রবিউল তেঁতুলিয়ার কালান্দিগঞ্জ এলাকার আব্দুল মতিনের মেয়ে আঁখি আক্তারকে বিয়ে করে এবং পরেরদিন ২৭ অক্টোবর রবিউল বিয়ের কথা বলে তার বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় তাকে। পরে রবিউলের পরিবারের লোকজন শাহানাজ আক্তারকে মারধর করতে থাকে। এ সময় তার স্মার্টফোনটি নিয়ে সব ডিলেট করে দেয় তারা। এক পর্যায়ে শাহানাজ আক্তার চিৎকারে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ঘটনার পরদিন ২৮ অক্টোবর শাহানাজ আক্তার বাদি হয়ে রবিউলসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছে।-ডেস্ক