সুকুমার দাস বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) পঞ্চগড়ের আটোয়ারিতে এক চাঞ্চল্যকর  ঘটনা ঘটেছে, পঞ্চগড়  জেলার আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ইউনিয়নের ছেপরাঝার গ্রামের মোঃ বেলাল হোসেনের স্ত্রীকে ২৪শে আগষ্ট (আপন বউমাকে) নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে  বেলালের পিতাঃ নুর ইসলাম। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় গত নয় মাস পূর্বে ছেলের বাবা মোঃ নুর ইসলামের পছন্দে প্রস্তাবের মাধ্যমে ছেলে মোঃ বেলাল হোসেন (২২) এর সাথে বোধগাঁও গ্রামের মোঃরমজান আলীর মেয়ে,মোছা:অনজুনা বেগম(২৫)এর সাথে বিবাহ হয়। এর পরেই জীবিকা নির্বাহের জন্য স্ত্রীকে রেখে কর্মস্থলে চলে যায়,ছুটি পেলেই মাঝে মধ্যে বাসায় আসে বেলাল,বাসায় আসলে খারাপ আচরণ করতো তার স্ত্রী। এই বিষয়ে নুর ইসলামের স্ত্রী তস্লিমা জানায়  আমার ছেলে বাসায় আসলে আমার বউমা প্রতিদিন বিছানায় শোয়ার সময় আমার ছেলের সাথে খারাপ আচরণ করতো।  মাঝেমধ্যে দেখা যেত আমার স্বামী আমার বৌমার সাথে আমাদের শয়ন কক্ষে হাসাহাসি করত, সন্দেহ হলে আমার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলে বৌমা হলো নিজের মেয়ের মত এই নিয়ে আমাকে প্রায়সময় মারপিট করত।
মান সম্মানের ভয়ে আমি বিষয়টি কাউকে জানাতে পারিনি। ১লা ভাদ্র মাসে ভাদর কাটানির উৎসব পালনের জন্য বউমা বাবার বাড়িতে যায়। মেয়ের পরিবার সূত্রে জানা যায় কয়েক দিন পর সে তার খালার বাড়িরতে বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশে তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। আগে থেকে শশুর বউমা বুদ্ধি করে রাখে, খালার বাড়িতে না গিয়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করে ঢাকার উদ্দেশে চলে যায়।
মেয়ে তার মাকে ফোনে নিশ্চিত করে যে আমি আমার শশুরকে বিয়ে করে বর্তমানে ঢাকায় সংসার করছি।শশুর বউমা বিয়ে করায় বর্তমানে এলাকার মানুষ ধিক্কার ও নিন্দা জানাচ্ছে। উল্লেখ্য যে এলাকাবাসী সহ উভয় পক্ষের পরিবার শশুর বউমার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করছে,যাতে ভবিষ্যতে দ্বিতীয় বার এ ধরনের জঘন্যতম ঘটনা না ঘটে।
এই  বিষয়ে তোড়েয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আহসান হাবিব আল আজাদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার কাছে দুই পক্ষ বিচার দিয়েছে,তবে তারা আসলেই আইন গত ভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।