(দিনাজপুর২৪.কম) পেনাল্টি শট কে নেবেন, তা নিয়ে নেইমার ও এডিনসন কাভানির মধ্যকার দ্বন্দ্ব এখন চরমে। মাঠের বাইরেও এখন সেটা চলছে। ড্রেসিং রুমে দু’জনের মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়ে গেছে। এমন কি দু’জনই একে অন্যকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে ‘আনফলো’ করেছেন। বৃটিশ মিডিয়া ‘দ্য সান’, ‘ডেইলি মেইল’, ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ এমন খবর দিয়েছে। নেইমার ও কাভানির মধ্যকার মাঠের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে রোববার। ফরাসি লীগ ওয়ানে সেদিন অলিম্পিক লিঁও’র বিপক্ষে মাঠে নামে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। ওই ম্যাচে দুইবার নেইমার ও কাভানির মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে বল দখলে নিয়ে ফ্রি-কিক নিতে যান কাভানি। তখন সেটা তার কাছ থেকে কেড়ে নেন দানি আলভেজ। কিকের জন্য তিনি বল তুলে দেন স্বদেশি খেলোয়াড় নেইমারের কাছে। তখন এই তিন খেলোয়াড়ের মধ্যে মন কষাকষি হয়। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে সেটা চরমে পৌঁছায়। এবার পেনাল্টি পায় পিএসজি। রেফারি বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে বল নিজের দখলে নেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার কাভানি। পেনাল্টি স্পটে বল বসিয়ে তিনি শট নিতে যান। এ সময় নেইমার তার কাছে গিয়ে শটটি নিজে নিতে চান। কিন্তু তাকে হতাশ করেন কাভানি। সামান্য বচসার পর নেইমার ফিরে যান পেছনে। অবশ্যওই শট থেকে গোল করতে পারেনি কাভানি। প্রতিপক্ষের দুই আত্মঘাতী গোলে তারা জেতে ২-০ ব্যবধানে। এদিন পেনাল্টি শট নেয়া নিয়ে নেইমার ও কাভানির মধ্যকার অমন বিব্রতকর ঘটনায় হতভম্ভ ফুটবল দর্শকরা। কিন্তু তাদের ওই ঘটনা মাঠে শেষ হয়নি। সেদিন ড্রেসিং রুমে ফিরে এতে অন্যের সঙ্গে কথা বলা তো দূরে থাক, কেউ কারো দিকে তাকাননি বলে খবর দিয়েছে বৃটিশ মিডিয়া। সবসময় তারা একে অন্যকে এড়িয়ে চলেছেন। এরপর এক সময় তারা একে অন্যকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আনফলো’ করেন। তার সব প্রমাণ বৃটিশ মিডিয়া দিয়েছে। দুই খেলোয়াড়ের মধ্যকার এই দ্বন্দ্বকে ‘ওয়ার অব ইগো’ বলে অভিহিত করেছে বৃটিশ মিডিয়া।-ডেস্ক