মো. জাকির হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) অপহরনের আট মাস পর উদ্ধার হলো নবম শ্রেনীর ছাত্রী রেনু আক্তার। মঙ্গলবার ভোরে  পুলিশের অভিযানে ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের পাশাপাশি  অপহরনের সাথে জরিত এক ফেরিওয়ালাকে আটক করা হয়। আটক ব্যাক্তি নীলফামারীর সদর উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের বডুয়া শেখ পাড়ার আনছার আলীর পুত্র মিন্টু মিয়া (৩০)। অপহৃত ছাত্রীটি জেলার ডিমলা উপজেলার খগাবড়বাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী ও বন্দর খড়িবাড়ী গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। জানা যায় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারী স্কুলে যাওয়ার পথে মেয়েটি অপহরন হয়েছিল। অপহরকারী মিন্টু মিয়া ডিমলার বিভিন্ন এলাকায় ফেরি করে মেয়েদের চুরিফিতা ও কসমেটিক্স বিক্রি করত। ঘটনার দিন মেয়েটিকে সে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মেয়েটির পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিমলা থানার উপ পরিদর্শক শাহাবুদ্দিন জানান গোপন সংবাদ পেয়ে প্রথমে সৈয়দপুর উপজেলার খাতা মধূপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে অপহরনকারী মিন্টুকে আটক করা হয়। এরপর  মিন্টু মিয়াকে সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে নীলফামারীর সদর উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের বডুয়া শেখ পাড়া থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রী রেনু আক্তারকে উদ্ধার করা হয়।

বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে স্কুল ছাত্র নিহত

বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে  স্কুল ছাত্র নাজমুল ইসলাম (১৪) নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার রাতে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পাঙ্গামটকপুর ইউনিয়নের মেলাপাঙ্গা গ্রামে। নিহত স্কুল ছাত্র ওই গ্রামের মফিজার রহমানের পুত্র ও স্থানীয় বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র ।  ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ভুট্ট ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সারাদিন ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ছিলনা। এ অবস্থায় রাত ৮ টার দিকে  নাজমুল তার নিজ বাড়ীর একটি  বিদ্যুতের সুইচ নিজেই ঠিক করছিল। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে আসায় সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়।