(দিনাজপুর২৪.কম) সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিতের জন্যই ঢাকার দুই সিটিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।

শনিবার দুপুরে বরিশাল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিইসি এ কথা বলেন। বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সিইসি বলেন, ‘ঢাকা সিটি নির্বাচন ত্রুটিমুক্ত করার ইভিএম ব্যবহার করব। যাতে লোকে ভোট দিতে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পারে। এখানে ত্রুটিযুক্ত কোনো কিছুর সুযোগ আমরা রাখতে চাই না।’

তিনি বলেন, দুই সিটির পর দেশের সকল পর্যায়ের নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি প্রচলনের চিন্তাভাবনা রয়েছে। তবে কত সময়ের মধ্যে এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা যাবে সেটা একটা চিন্তার বিষয়।

ইভিএম ত্রুটিযুক্ত পদ্ধতি এবং এই পদ্ধতি বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ বাতিল করে দিয়েছে তারপরও নির্বাচন কমিশন কেন এই পদ্ধতিতে ঝুঁকছে বিশেষজ্ঞরা (ড. বদিউল আলম মজুমদার) জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ড. বদিউল আলম মজুমদারকে তিনি নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মনে করেন না। ইভিএম পদ্ধতি স্বচ্ছ। এই পদ্ধতিতে একের অধিক ভোট দেয়ার সুযোগ নেই। একের ভোট অন্য কেউও দিতে পারে না।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ঢাকার দুই সিটি নিবাচন স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু হবে আশা করে কমিশন। স্বচ্ছ নির্বাচনের পূর্ব শর্ত প্রতিযোগীতা মূলক এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন। সব রাজনৈতিক দল অংশ নিলে ঢাকার নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে মনে করেন তিনি।

সেনা বাহিনী মোতায়ন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে সেনা বাহিনী দরকার নেই। এই নির্বাচন পরিচালানায় পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি যথেষ্ট।

ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম থাকার কারন জানতে চাইলে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আহ্বানকারী। তবে প্রার্থী কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বিদের দায়িত্ব ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া।

উল্লেখ্যে, আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটের দিন রেখে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে ইসি জানিয়েছে, ঢাকার দুই সিটিতেই সবকেন্দ্রেই ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে। -ডেস্ক