(দিনাজপুর২৪.কম) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মকর্তাদের পরিকল্পিত ও গণবদলীর ঘটনা ঘটানো হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে অশুভ উদ্দেশ্যে এই বদলী নিয়ে সকলের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনের এই ব্যাপক পরিবর্তন নীল নকশারই অংশ। বুধবার দুপুরে নয়াপল্টস্থ বিএনপি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী আরও বলেন, আজকে একটি দৈনিক পত্রিকায় নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ পদোন্নতি কমিটির যিনি প্রধান- তিনি গণবদলি ও পদোন্নতির বিষয় কিছু জানেন না বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ইসি সচিবকে নোট দিয়েছেন। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা দেশবাসীর মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, পত্রিকায় দেখেছি এই ঘটনায় কমিশনের অনেক কর্মকর্তারাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। আমরা মনে করি, এ ঘটনায় শুধু ইসির ভাবমূর্তিই নষ্ট হয়নি বরং নির্বাচন কমিশনের কর্মকান্ডও বিশাল প্রশ্নের সম্মখীন হয়েছে। সংসদে বিদেশে অর্থ পাচার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারি ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান লুটপাটে শুন্য হয়ে গেছে। সরকারের লুটপাট আর দুর্নীতিতে তারা এখন টালমাটাল হয়ে গেছেন। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী একবার বলছেন সুইস ব্যাংকে অর্থ পাচার হয়নি, লেনদেন হয়েছে। আবার তিনি এও বলেছেন যে, তবে সামান্য কিছু অর্থ পাচার হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগে সিলেটের এক সভায় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, সুইস ব্যাংকসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারে আমরাও দায়ী। এই ধরনের স্ববিরোধী বক্তব্য আওয়ামী নেতাদের চিরাচরিত টেকনিক। আসলে ক্ষমতাসীনদের উচ্চ পর্যায়ের অনেক নেতারই লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা পাঁচারে জড়িত বলেই তাদের চাপে অর্থমন্ত্রীকে আগের কথা থেকে সরে আসতে বাধ্য করা হয়েছে। -ডেস্ক