1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  3. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  4. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  5. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  6. news@dinajpur24.com : nalam :
  7. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  8. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

নির্বাচনি হাওয়ায় দলবদল

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৮
  • ১ বার পঠিত

(দিনাজপুর২৪.কম) রাজনীতির সাথে রাজনৈতিক আদর্শ আর ক্ষমতার সম্পর্ক। আর ক্ষমতার কারণেই রাজনীতিতে দলবদল প্রথা রয়েছে। এই ধারা নতুন কিছু নয়। আর হাওয়া যেদিকে থাকে সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা সেদিকেই পাল তোলেন। রাজনীতিকদের আদর্শিক পরিবর্তন হলে অথবা দল তার আদর্শ পরিবর্তন করলেও রাজনীতিকরা দল বদল করে থাকেন। কিন্তু নীতি-আদর্শের কারণে দলবদল এখন অতীত। আগামী ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্রিকও দলবদল চলছে। এক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকেই বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার সংখ্যাটা একটু বেশি। রাজনীতিতে যখন ক্ষমতাই মূলমন্ত্র, তখন রাজনীতিকদের দলবদল একটি রুটিন কাজ। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে-আগে রাজনীতিকদের দলবদলের তোড়জোর বেশি দেখা যায়। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আ.লীগের সাবেক মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক (ডেপুটি চিফ অব স্টাফ) এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) একে খন্দকার এবং আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী আবু সাইয়িদ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামে যোগ দিয়ে ধানের শীষে নির্বাচন করবেন। গণফোরাম বর্তমানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকের শরিক দল। এই দল থেকে যারা নির্বাচন করবেন তারা ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। জাতীয় পার্টির মনোনয়নের চিঠি না পাওয়ায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গাইবান্ধা জেলার সভাপতি আব্দুর রশিদ সরকার বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের শরিক দল হিসেবে বর্তমান সরকারের অংশিদার। বিকল্প ধারায় যোগ দিয়েছেন রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া শমসের মবিন চৌধুরী। তিনি একসময় বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। এদিকে চাঁদপুর-১ আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে দল থেকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া না হলে একযোগে পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এরশাদের শাসনামলে বিভিন্ন দলের নেতাদের দলবদল করতে দেখা গেছে। বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও বাম দলের অনেক নেতা দলে-দলে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে পদ-পদবি নিয়েছেন। সাহেব-বিবির বাক্সে প্রায় প্রতিদিনই অন্যান্য দলের নেতাদের জাতীয় পার্টিতে যোগদানের সংবাদ ফলাও করে প্রচার করা হতো।শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন এখন বিএনপির বড় নেতা। আওয়ামী লীগ দিয়ে তার রাজনীতি শুরু। এরপর খন্দকার মোশতাক সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন। মাঝে ডেমোক্রেটিক লীগও করেছেন কিছুদিন। এরপর লাঙ্গলের হাল ধরে এরশাদের মন্ত্রী হয়েছিলেন। এদিকে সারাজীবন বাম রাজনীতি করেও জাতীয় পার্টিতে যোগ দেয়ার নজির আছে। ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল হালিম সারাজীবন বাম রাজনীতি করেছেন। ন্যাপ, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি হয়ে জিয়াউর রহমান ও আবদুস সাত্তারের মন্ত্রী হয়েছেন। এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর তার মন্ত্রিসভাও অলঙ্কৃত করেছেন। আওয়ামী লীগের অন্যতম নিষ্ঠাবান নেতা ছিলেন এম কোরবান আলী। অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনিও এরশাদের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমন্বয়ক ও স্বাধীনতার ইশতেহারে স্বাক্ষরদাতা প্রফেসর ইউসুফ আলী। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন। বিশ্বস্ত এ আওয়ামী লীগারও কিন্তু পরে খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রী হতে ছাড়েননি। এমনকি, বিভক্ত আওয়ামী লীগের একাংশের (মীজান চৌধুরী) সাধারণ সম্পাদকও হয়েছিলেন। এরপর জিয়াউর রহমান, আবদুস সাত্তার এবং সবশেষে এরশাদের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য মওদুদ আহমদ জিয়াউর রহমানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পরে এরশাদের উপ-রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। এরপর আবার বিএনপিতে যোগ দিয়ে আইনমন্ত্রীও হয়েছেন। এখনও তিনি বিএনপিতে আছেন। মওদুদ আহমদ বঙ্গবন্ধু, জিয়া, খালেদা জিয়ার স্নেহধন্য হয়েছেন। কোরবান আলী ঘরে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু ঘরে ফেরার সুযোগ সবাই নাও পেতে পারেন। আগে যারা ডিগবাজি দিয়েছেন, তাদের উত্তরসূরীরাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণের চেষ্টা করছেন। এদিকে কাজী জাফর আহমেদ বাম রাজনীতি করে পরে জিয়াউর রহমানের শিক্ষামন্ত্রী হয়েছিলেন। এরশাদের পতনের আগ পর্যন্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ২০১৪ সালে এরশাদ নির্বাচনে অংশ নিলে সেই কাজী জাফরই এরশাদকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেন! এরপর এরশাদ ও কাজী জাফর দু’জনই দু’জনকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন। যিনি ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের রাষ্ট্রপতি, সেই মোহাম্মদউল্লাহও একসময় বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। জাস্টিস সাত্তারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়ে পরে ১৯৯৬ সালে আবার আওয়ামী লীগে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। দলবদল ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিরই ধারাবাহিকতা। তবে, বর্তমানে কেন্দ্র আর তৃণমূলে সমান তালেই দলবদল চলছে। আবার মাঠপর্যায়ে সবাই-ই যে ক্ষমতার জন্যই দলবদল করছে তা নয়। এর সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের এলাকায় টিকে থাকা ও রুটি-রুজির প্রশ্ন জড়িত। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যও জড়িত। তাই আজ এক জেলায় ১০ জন, কাল আরেক জেলায় ১৩ জন নেতা-কর্মীর এক দল থেকে আরেক দলে যোগ দেয়ার খবর পাওয়া যায়। তার ওপর আছে সামনে নির্বাচনের হিসেব নিকেশ। তাই তৃণমূলের রাজনীতিতে এখন নানা সমীকরণ। সে সমীকরণের ফিরিস্তিও দীর্ঘ। একেক এলাকায় একেক রকম। রাজনীতির মাঠে সক্রিয় না থাকলেও বিএনপির কোনো কেন্দ্রীয় নেতার আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার ঘটনা এখনো ঘটেনি। এর মাধ্যমে বিএনপির শীর্ষ নেতারা এক ধরনের দলীয় ঐক্যের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ক্ষমতার খেলায় সে ঐক্য কতটুকু অটুট থাকবে সেটাই দেখার বিষয়। ডিগবাজির এই রাজনীতিতে অতীতে জাতীয় পার্টিই বেশি লাভবান হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এক্ষেত্রে তেমন সুবিধা করতে পারেনি। নতুন দল হিসেবে জাতীয় পার্টিতে নাম লিখিয়ে অনেকে মন্ত্রী হয়েছেন। তখন আওয়ামী লীগ, বিএনপিতে অনেকেই আর ‘আশা’ খুঁজে পাননি। অনেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনাও তখন দেখতে পাননি। এমপি-মন্ত্রী হওয়া তো দূরের কথা। তাই নগদ প্রাপ্তির আশায় জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়েই মন্ত্রী, এমপি না হয় উপদেষ্টা গোছের কিছু একটা পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। এদিকে জাতীয় পার্টিরও সর্বস্তরে নেতৃত্ব প্রয়োজন ছিল। তাই দলবদলের ফলে জাতীয় পার্টি ও দলছুটরা এই দু’তরফেরই লাভ হয়েছে। আর ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও বাম দলগুলোর। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের রাজনীতি। যারা একবার দলবদলের ডিগবাজি শিখে গেছেন তাদের পক্ষে সহজপথে হাঁটা যে কঠিন! রাজনীতিতে এই প্রবণতা আজও বহাল আছে। রাজনীতিতে যেমন ‘শেষ’ বলতে কিছু নেই, রাজনীতিকদেরও ‘শেষ ঠিকানা’ বলতে যেন কিছু নেই। এদেশে অনেক বড়-বড় রাজনীতিকের দলবদল করেছেন। রাজনীতির চড়াই-উৎরাইয়ের পথে চলতে গিয়ে অনেকেই হোঁচট খেয়েছেন। অনেকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। অনেকে চিরদিনের জন্য বসেও গেছেন। -ডেস্ক

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর