মো: নুরুন্নবী বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থল বন্দরের চারমাথা এবং পানামা পোর্ট লিঃ এর পশ্চিম পার্শ্বে রাস্তা সংলগ্ন আবাসিক হোটেল -হোটেল নর্দান প্যালেস। স্থল বন্দর হওয়ায় এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা। সেই সুবাদে এখানে গড়ে উঠেছে নামী-দামী হোটেল। আর হোটেল ব্যবসার অন্তরালে চলছে বিভিন্ন প্রকার মাদক কেনা-বেচা ও দেহ ব্যবসার মত সমাজ বিরোধী অপরাধ মূলক কর্মকান্ড। মাদক চোরা চালানের ব্যবসার সুবিধার স্বার্থে হিলি স্থল বন্দর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে চোরাচালান ব্যবসা নিরাপদে চালানোর জন্য লোক দেখানো আবাসিক হোটেল প্রতিষ্ঠা করে নজীর সৃষ্টি করেছেন জনাব বেলাল হোসেন।  হোটেল ব্যবসার অন্তরালে বিভিন্ন প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ নিরাপত্তার র্সাথে পরিচালনার জন্য নিজের দু? ছেলেকে হোটেল ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। টাকা হলে এখানে যা চাইবেন তাই পাইবেন। হোটেলে রাত্রী যাপন কালে দেশের ও বিদেশের খদ্দেরদের কাছে প্রস্তাব করা হয় কোন ধরনের মালে তাদের চাহিদা। খদ্দেরের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাদক দ্রব্য বিভিন্ন বয়সের দেহ ব্যবসায়ী নারী এবং চাহিদা মত সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। নিচে লোক দেখানো পরিবেশে মালিক মোঃ বেলাল হোসেন বসেন । তার বসার জায়গার নাম গদিঘর। অপকর্মের তথ্য গোপন রাখার স্বার্থে পিতা পুত্রদয় মিলে দীর্ঘ দিন যাবত যাবতীয় অপকর্ম পরিচালনা করে আসছেন ।  তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে,  হোটেল নর্দান প্যালেস- এ টাকা হলে প্রযোজণীয় সব কিছুই পাওয়া যায়। এই জন্যই হোটেল নর্দান প্যালেস রিক্সা ভ্যান চালক থেকে শুরু করে বাস ট্রাকের ড্রাইভার ও সীমান্তবর্তী এলাকার অসাধূ ব্যক্তিদের আনাগোনা বেশি লক্ষ্য করা যায়। শুধু তাই নয় উক্ত হোটেলে বিভিন্ন প্রকার  জটিল মামলার দাগী ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামীরা নিরাপদে রাত্রী যাপন করেন। এর বিনিময়ে নিরাপত্তা দানের মূল্য হিসাবে মোটা অঙ্কের ভাড়া আদায় করা হয়। তাদের মনোরঞ্জন এর জন্য  আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে মর্মে গোপন সুত্রে যানা যায়।
হাকিমপুরের সর্ববৃহৎ এবং বিলাসবহুল আবাসিক হোটেলে এমন জঘন্যতম অপকর্ম পরিচালনা করে মালিক পক্ষ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তিনি সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ব্যবসা বৈধভাবে পরিচালনা করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবৎ।