(দিনাজপুর২৪.কম) শ্রীলঙ্কার মাটিতে আসন্ন ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে সাকিব আল হাসানের খেলাটা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান চিকিৎসক দেবাশীস চৌধুরী। বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনাল ম্যাচে আঙ্গুলে চোট পান সাকিব। যার দরুণ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজেও খেলতে পারেননি তিনি।

বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা সাকিবের অভাববোধের কথা জানিয়েছেন।

শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলেও অধিনায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে সাকিব আল হাসানকে।

তবে আদৌ তার খেলার সম্ভাবনা কতখানি?

বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীস চৌধুরীর মতে, ফিজিওফেরাপি যদি ভালোভাবে যায় তবে একটু সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে যে অগ্রগতির ধারা তাতে খেলাটা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

চিকিৎসার জন্য সাকিব আল হাসান এখন থাইল্যান্ডে অবস্থান করছেন।

দেবাশীস চৌধুরী বলেন, “থাইল্যান্ডে যাওয়ার পর সেখানকার চিকিৎসকরা একটা গাইডলাইন দিয়েছে। থাইল্যান্ডের চিকিৎসকরা চাইছেন সেখানেই যাতে ফিজিওথেরাপি করেন। এখন যদি সেটা বাংলাদেশের করা সম্ভব হয় তবে আমরা চাইবো সাকিবকে দেশে ফেরাতে।”

সাকিব যদি চোট কাটিয়ে খেলেনও তবে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আছে কিনা?

এমন প্রশ্নের জবাবে দেবাশীস চৌধুরী বলেন, “এখানে তিন ধরণের ব্যাপার রয়েছে। একটা হচ্ছে মেডিক্যাল দৃষ্টি, একটা ব্যাক্তিগত উদ্দেশ্য, আরেকটা হচ্ছে দলের চাহিদা।”

তিনি মনে করেন, শুধু যে চিকিৎসার দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাপারটা দেখা হবে তা নয়। কারণ দল এখন একটা ক্রান্তিকাল পার করছে। এখানে মেন্টর বা সিনিয়র হিসেবে সাকিবকে প্রয়োজন হতে পারে।

তবে চিকিৎসার দৃষ্টিভঙ্গিতে সাকিবের খেলা কঠিন হবে বলেই মনে করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান চিকিৎসক।

 

তড়িঘড়ি করে থাইল্যান্ড গেলেন সাকিব

আঙুলের ইনজুরিটা বেশ ভোগাচ্ছে সাকিবকে। রিস্ক নেবেন। সেটাও নিতে পারছেন না। টেস্টের পর টি-২০ সিরিজে খেলবেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেটাও হয়নি। এখন শঙ্কা শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে যাওয়া নিদাহাস ট্রফিতে আদৌ খেলতে পারবেন কি না!

দোদুল্যমান সাকিব এখন থাইল্যান্ডে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতেই সেখানে গিয়েছেন তিনি হঠাৎ করেই। সাকিবকে পাওয়া যাবে কি না সেটা নিয়ে সন্দেহের দোলাচাল খোদ বিসিবিতেও। নাজমুল হাসান পাপন ওই সন্দেহ থেকেই দলে রেখেছেন, একই সাথে তিনি যদি না-ই খেলতে পারেন তাহলে মাহমুদুল্লাহ ক্যাপ্টেন্সি করবেন সেটাও জানান দিয়েছেন।

আগামী ৪ মার্চ রওনা হবে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ সেখানে ৮ মার্চ। ফলে এখনো কিছুটা সময় রয়েছে। এর মধ্যে সাকিব সেরে উঠবেন কি না সেটাই দেখার বিষয়। সাকিবও ফিরতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ সে কারণেই।

খেলাটা যদি রিস্ক হয়ে যায়। ইনজুরিটা যদি দীর্ঘ মেয়াদে ভোগায়, তার চেয়ে একটু বেশি সময় নিয়ে পুরোপুরি ভালো হয়ে নামলে ভালো হবে কি না সেটাই চিন্তা করছেন সাকিব নিজেও। -ডেস্ক