1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. erwinhigh@hidebox.org : adriannenaumann :
  3. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  4. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  5. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  6. rosettaogren3451@dvd.dns-cloud.net : darrinsmalley71 :
  7. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  8. vandagullettezqsl@yahoo.com : gastonsugerman9 :
  9. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  10. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  11. corinehockensmith409@gay.theworkpc.com : meaganfeldman5 :
  12. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  13. news@dinajpur24.com : nalam :
  14. marianne@e.linklist.club : noblestepp6504 :
  15. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  16. rubyfdb1f@mail.ru : paulinajarman2 :
  17. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  18. Roosevelt_Fontenot@speaker.buypbn.com : rooseveltfonteno :
  19. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  20. gorizontowrostislaw@mail.ru : spencer0759 :
  21. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

না ফেরার দেশে দিতি

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১৬
  • ০ বার পঠিত

(দিনাজপুর২৪.কম) চলচ্চিত্রের হাস্যময়ী এক মুখ। যার সঙ্গ পাওয়ার জন্য উন্মুখ থাকতেন মিডিয়া থেকে শুরু করে এর বাইরের পরিচিত বন্ধু-স্বজনরাও। তার কথা শোনার জন্য সবাই অপেক্ষা করতেন। হাসি-ঠাট্টার মধ্য দিয়ে কাজ শেষ করতেন এ মানুষটি। তিনি পারভীন সুলতানা দিতি। ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত প্রিয় এ মানুষটি সবাইকে কাঁদিয়ে গতকাল চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বিকাল ৪টা ০৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান তিনি (ইন্নালিল্ল্লাহি…রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫১। এর আগে চেন্নাইর মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব অর্থোপেডিকস অ্যান্ড ট্রমাটোলজি (এমআইওটি) হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন দিতি। কয়েক মাস আগের কথা। ভারতের চেন্নাইয়ের হাসপাতালের বিছানায় বসে ছিলেন দিতি। একটু পর বিছানা থেকে উঠে কেবিনের জানালার পাশে বসে ছেলে দীপ্ত আর মেয়ে লামিয়ার সঙ্গে কথা বলছিলেন। সন্তানের সঙ্গে সেই মধুর স্মৃতির ছবিটা ফেসবুকে পোস্টও করেছিলেন। এর কিছুদিন পরই তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। গত বছরের ২৫শে জুলাই থেকে তার চিকিৎসা শুরু হয়। প্রথম দফা চিকিৎসা শেষে ২০শে সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। কিন্তু কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তখন তাকে ভর্তি করা হয় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে। অবস্থা অপরিবর্তিত থাকায় গত বছরের ৩রা নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় তাকে চেন্নাই নেয়া হয়। সেখান থেকে ফিরে আসার পর ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত দিতিকে আবারও রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু গতকাল বিকালে ইহলোকের সব বন্ধন ছিন্ন করে চলে গেলেন তিনি। হাসপাতালটির কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট চিফ ডা. শাগুফতা আনোয়ার মানবজমিনকে খবরটি নিশ্চিত করেন। দিতি বেশ কিছুদিন ধরে এখানে কোমায় ছিলেন। তার মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উল্লেখ্য, ১৯৬৫ সালের ৩১শে মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে জন্ম নেন এই রুপালি তারকা।
১৯৮৪ সালে নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে দেশীয় চলচ্চিত্রে পদার্পণ করেন তিনি। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র উদয়ন চৌধুরী পরিচালিত ‘ডাক দিয়ে যাই’। কিন্তু এটি শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। ছবিটি আজও মুক্তি পায়নি। দিতি অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবি ‘আমিই ওস্তাদ’। ছবিটি পরিচালনা করেন আজমল হুদা মিঠু। এরপর ‘হীরামতি’, ‘দুই জীবন’, ‘ভাই বন্ধু’, ‘উছিলা’, ‘লেডি ইন্সপেক্টর’, ‘খুনের বদলা’, ‘আজকের হাঙ্গামা’, ‘স্নেহের প্রতিদান’, ‘শেষ উপহার’, ‘চরম আঘাত’, ‘কালিয়া’, ‘স্বামী-স্ত্রী’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘জোনাকির আলো’, ‘তবুও ভালোবাসি’, ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী’সহ প্রায় দুই শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির নাম ‘সুইটহার্ট’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ওয়াজেদ আলী সুমন। সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘স্বামী স্ত্রী’ ছবিতে আলমগীরের স্ত্রীর চরিত্রে দারুণ অভিনয় নৈপুণ্যের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। ছোট পর্দায়ও দিতি ছিলেন নিয়মিত। অনেক একক নাটক, টেলিছবি ও ধারাবাহিক নাটকে দেখা গেছে তাকে।
অভিনয় এবং নির্মাণ দুটোই একসঙ্গে করতেন দিতি। অপূর্ব ও মোনালিসাকে নিয়ে রুম্মান রশীদের গল্পে দিতি প্রথম ‘ডিএলডি’ নামক নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা থেকে নির্মাণ করেন ‘খুনসুটিকে দিলাম ছুটি’ নাটকটি। এরপর বিশেষত মা দিবস এলেই তিনি ‘মা’ বিষয়ক গল্প নিয়ে বিশেষ বিশেষ নাটক নির্মাণ করতেন। তার সর্বশেষ অভিনীত ধারাবাহিক নাটক রুদ্র মাহফুজের রচনা ও সাখাওয়াত মানিকের পরিচালনায় ‘মেঘে ঢাকা শহর’। তার অভিনীত সর্বশেষ প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক ছিল এটিএন বাংলায় রুদ্র মাহফুজ রচিত ও বিইউ শুভ পরিচালিত ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। দিতির প্রযোজনা সংস্থা ডিএলডি থেকে সর্বশেষ নির্মিত নাটক ছিল রাশেদ শামীম শ্যাম পরিচালিত ‘বৃষ্টির কান্না’। এতে দিতি অভিনয় করেন গত বছরের ২২শে জুলাই। আর ২৪শে জুলাই রাতে তিনি অসুস্থ হন এবং ২৫শে জুলাই তাকে চেন্নাই নেয়া হয় চিকিৎসার জন্য। মডেল হয়েও দিতি কাজ করেছেন অসংখ্য বিজ্ঞাপনে। একজন গায়িকা হিসেবেই ছোটবেলা থেকে নিজেকে গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন দিতি। কিন্তু বড় হয়ে তিনি নায়িকা হন। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া থেকে তার প্রথম গানের একক অ্যালবাম বের হয়। সর্বশষ লেজারভিশন থেকে তার গাওয়া গানের দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘ফিরে যেন আসি’ বাজারে আসে প্রায় তিন বছর আগে। এটিও বেশ শ্রোতাপ্রিয় হয়। এছাড়া রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠানও উপস্থাপনা করেছেন। দিতির স্বামী অভিনেতা সোহেল চৌধুরী ১৯৯৮ সালে খুন হন। এরপর থেকে তিনি তার দুই সন্তান লামিয়া ও দীপ্তকে মানুষ করতেই সারাটি জীবন পার করে দেন। মাঝে অবশ্য চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে ঘর বাঁধেন তিনি। কিন্তু সে ঘরও একসময় ভেঙে যায়। পারিবারিক সূত্র জানায়, গতকাল বাদ এশা গুলশানের আজাদ মসজিদে প্রথম নামাজে জানাজা শেষে দিতির মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। আজ সকাল আটটায় গুলশানের
বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর  সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সকাল ১০টায় নেয়া হবে এফডিসিতে। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে  তাকে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে। সেখানে চতুর্থ জানাজার পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

শোক
গতকাল বিকালে মিডিয়াঙ্গনে হঠাৎ নেমে এলো শোকের ছায়া। গুণী অভিনেত্রী পারভীন সুলতানা দিতি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তার  অকাল-মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন তার সতীর্থরা-
রাজ্জাক (চিত্রনায়ক) : দিতি আমার কাছের মানুষ। একজন মানুষের অকালে চলে যাওয়াটা মেনে নেয়া যায় না। অনেকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছে দিতি। তার চলে যাওয়াটা আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য একটা অপূরণীয় ক্ষতি। খুব খারাপ লাগছে দিতির মৃত্যুর খবরটি জেনে। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
দিলারা জামান (অভিনেত্রী): সত্যি দিতি মেয়েটার জন্য খুবই খারাপ লাগছে। এত কম বয়সে একজন মানুষকে রোগ পেয়ে বসলো! আমি প্রতিনিয়তই খোঁজ-খবর রেখেছি। কাউকে না কাউকে জিজ্ঞেস করেছি। এ মুহূর্তে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। দিতি পরপারে ভালো থাকুক, শান্তিতে থাকুক এ কামনাই করি।
আবুল হায়াত (অভিনেতা ও নির্মাতা): দিতির সঙ্গে আমার অনেক কাজ হয়েছে। খুবই চমৎকার একজন মানুষ। আসলে আমাদের মাঝ থেকে গুণী মানুষগুলোর সংখ্যা দিন দিন কমছে। খুবই দুঃখজনক। দিতির আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
ববিতা (চিত্রনায়িকা): দিতিকে ইউনাইটেড হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম। অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিল। তবুও আশায় বুক বেঁধেছিলাম দিতি আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। কিন্তু সেটা আর হলো না। হাসপাতালেই তাকে চিরবিদায় নিতে হলো। আমাদের চলচ্চিত্রের বড় একটা সম্পদ হারিয়েছি। জানি না এ ক্ষতি কখনও পূরণ হবে কি না। দিতি শান্তিতে ঘুমাক। এ কামনাই করি।
সোহেল রানা (চিত্রনায়ক): দিতি আমাদের ছেড়ে চলে যাবে এটা ভাবতে খুব কষ্ট হচ্ছে। আমরা আরেকটি নক্ষত্রকে হারালাম। দিতি ভালো থাকুক। এ কামনা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই।
ফারুক (চিত্রনায়ক): মানুষের মৃত্যু এটা অবধারিত। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারি না। দিতির মৃত্যুটা স্বাভাবিক। কিন্তু মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
তারিক আনাম খান (নির্মাতা ও অভিনেতা): যেভাবে মৃত্যুর সঙ্গে এতটা দিন লড়াই করছিল তাতেও আশা ছাড়িনি। চেয়েছি দিতি আমাদের মাঝে ফিরে আসুক। কিন্তু আর এলো কই। বিদায় নিল। আমি দিতির আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
আলীরাজ (অভিনেতা): শফিক হাসানের ‘ধুমকেতু’ ছবিতে সর্বশেষ দিতির সঙ্গে কাজ করলাম। তখনই তাকে বেশ হাসিখুশি দেখেছি। তিনি অসুস্থ ছিলেন অনেকদিন। খুব কষ্ট হয়েছে। দিতির সঙ্গে বুঝি এফডিসিতে আর দেখা হবে না! একসঙ্গে কোনো কাজ করতে পারবো না। ভাবতেই পারছি না। মেনে নিতে হবে তবুও কষ্ট হচ্ছে মেনে নিতে। দিতির আত্মার শান্তি কামনা করি। আল্লাহ তাকে যেন বেহেস্ত নসিব করেন।
রুবেল (চিত্রনায়ক): আমরা এফডিসিতে দিতিকে আর দেখতে পাবো না বিষয়টি ভাবতেই পারছি না। খুব কষ্ট লাগছে তার জন্য। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
ইলিয়াস কাঞ্চন (অভিনেতা): দিতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য বড় একটা সম্পদ। আজ তার চলে যাওয়ায় একটা ক্ষতি হয়ে গেল। এ মুহূর্তে তার জন্য দোয়া করা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই।
শাবনূর (চিত্রনায়িকা): দিতি আপার সঙ্গে দেখা করবো করবো করে আর হয়ে ওঠেনি। আজ তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। একজন গুণী অভিনেত্রী চলে যাওয়া মানে একটা শিল্পের বড় ক্ষতি। আমাদের মাঝ থেকে এসব গুণী মানুষরা চলে যাচ্ছেন। দিতি আপাও চলে গেলেন। তবে মৃত্যুর সঙ্গে অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে। চেয়েছিলাম দিতি আপা ফিরে আসুক। হলো না। আমরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি। তার বিদেহী আত্মার শান্তি পাক এ কামনাই করি।
রিয়াজ (চিত্রনায়ক): খুব কাছ থেকে দেখেছি, কতটা ভালো মানুষ ছিলেন। কতটা সুমিষ্ট আচরণ ছিল তার। দিতি আপার সেই মিষ্টি হাসি আর দেখতো পাবো না বিষয়টি যেন মানতেই পারছি না। আল্লাহ তাকে পরকালে শান্তিতে রাখুন এ কামনা করি।
ওমর সানি (অভিনেতা): আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য দিতি বড় একটা ফ্যাক্টর। তার চলে যাওয়াটা আমাদের জন্য বড় একটা ক্ষতি। চলচ্চিত্রে তার বিকল্প কেউ নেই। আমরা একজন বড় মাপের মানুষকে হারালাম। জানি না তারম চলে যাওয়ার কষ্টটা কখনো ভুলতে পারবো কিনা।
মৌসুমী: দিতি আপা নেই এটা ভাবতেই পারছি না। তার চলে যাওয়া আমাদের বড় ক্ষতির কারণ। আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। এই কয়দিন আগেও ভাবছিলাম দিতি আপা আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। আমাদের সঙ্গে চলচ্চিত্রে কাজ করবেন। আবার হাস্যজ্জ্বোল মানুষটিকে দেখতে পাবো। কিন্তু সেটা আর হলো না।  আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
শাকিব খান (অভিনেতা): দিতি আপা আমাদের অভিনয় শিল্পীদের মধ্যে একটি জনপ্রিয় নাম। তার অভিনয়ে শুধু না তার ব্যবহার, আচার-আচারণ আমাদের মুগ্ধ করে বরাবর। আজ তিনি নেই বিষয়টি মানতে পারছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে জেনে। দিতি আপার আত্মার মাগাফিরাত কামনা করি।
অপু বিশ্বাস (অভিনেত্রী): ‘রাজাবাবু’ ছবিতে শাকিব খানের মার চরিত্রের অভিনয় করেছিলেন দিতি আপা। তখন তার সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিয়েছি। আমার মেকাপরুম আমি সাধারণত কাউকে শেয়ার করিনা। তবে দিতি আপার সঙ্গে শেয়ার করেছিলাম। অনেক আমুদে ও ভালো মনের মানুষ তিনি। দিতি আপা অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু ভাবতেই পারছি না আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। এমন গুণী মানুষের চলে যাওয়াটা সত্যিই আমাদের জন্য বড় ক্ষতি। সত্যিই বলতে কি! আমরা একজন বড় অভিভাবক হারিয়েছি।
মুশফিকুর রহমান গুলজার (মহাসচিব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি): দিতি একজন গুনী অভিনয়শিল্পী। পরিচালকদের সঙ্গে তার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। এমনকি তাকে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে কখনো কোনো পরিচালকের সমস্যা পড়তে হয়নি। সবার সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল। দিতির চলে যাওয়াটা স্বাভাবিক হলেও খুব কষ্ট লাগলো। আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য বড় একটা ক্ষতি হয়ে গেল। বাংলা চলচ্চিত্রে দিতির বিকল্প কেউ নেই।
মৌসুমী নাগ (অভিনেত্রী): আপনি শান্তিতে থাকুন দিতি আপা। এই কামনাই করি। -ডেস্ক

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর