Thousands of Bangladeshis cram onto trains at the Airport Railway Terminal on the outskirts of Dhaka on September 8, 2010, as they rush home to be with their families in remote villages before the Muslim Eid festival. The Eid-ul-Fitr, the biggest festive Muslim event, marks the end of the holy fasting month of Ramadan.

(দিনাজপুর২৪.কম) নাড়ীর টানে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে রাজধানী ঢাকা। ঈদের বাকি এখনো ৬দিন হওয়া স্বত্ত্বেও ঈদের আনন্দ আপনজনকে নিয়ে উপভোগ করতে নাড়ির টানে ঘরমুখো মানুষ। অতিরিক্ত ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে আগেভাগেই চলে যাচ্ছেন অনেকে। বিশেষ করে ছাত্র, গৃহবধূ আর শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে ঘরে ফেরার তাড়া বেশি। শনিবার সকালে রাজধানীর অন্যতম বাস টার্মিনাল গাবতলী, কল্যাণপুর, শ্যামলী, টেকনিক্যাল ও এর আশপাশের বাস কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই গাবতলী বাস টার্মিনালে ভিড় জমিয়েছেন যাত্রীরা। যাদের আগেই টিকিট কাটা ছিলো তারা স্বাচ্ছন্দে বাড়িতে যাচ্ছেন।

অফিস-আদালত ছুটি না হলেও রাজধানীতে লেখাপড়া করতে আসা ছাত্র-ছাত্রীরা ঈদ করতে আগেই গ্রামের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন। শেষ দিকে রাস্তায় যানজটের আশঙ্কা, অতিরিক্ত যাত্রীর ভিড়ের কথা ভেবে নাড়ির টানে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ।

হানিফ পরিবহণের সামনে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র আরিফুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছি। গত বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হয়েছে। কেনাকাটার জন্য দুই দিন পরে বাড়ি যাচ্ছি। ঈদে যাত্রীদের যে চাপ তা এখনো শুরু হয়নি। তাই রাস্তায় তেমন সমস্যা হবে না বলে আশা করছি।

অন্যদিকে কামাল নামের খুলনাগামী এক যাত্রী বলেন, কলেজ ছুটি হয়ে গেছে তাই অযথা সময় নষ্ট না করে আগেভাগেই বাড়িতে যাচ্ছি। বাড়িতে গিয়ে কোরবানির গরু কিনতে হবে।

কথা হয় খুলনাগামী মোহাম্মদ রায়হানের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। সবার সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছি। অফিস-আদালত ছুটি হবে আগামী ২২ অথবা ২৩ তারিখের দিকে। তখন খুব ভিড় হবে, এই চিন্তা করেই আজ যাচ্ছি।

সাকুরা এসি বাসের কাউন্টার মাস্টার মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম জানান, এখনো যাত্রীদের চাপ খুব একটা শুরু হয়নি। তবে আগামী ২২ ও ২৩ তারিখে অতিরিক্ত চাপ হবে, যা সামলানো আমাদের জন্য কষ্টকর হবে। -ডেস্ক