(দিনাজপুর২৪.কম) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে ফুটপাত দখলমুক্ত করাকে কেন্দ্র করে দলীয় মেয়র ও সংসদ সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় অস্ত্র প্রদর্শনকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে ‘কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ৫০ শয্যা হতে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, নারায়ণগঞ্জের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় যা যা ব্যবস্থা নেয়া উচিত, আমরা তা করছি। সেদিন যারা অস্ত্র দেখিয়েছে, যারা নিজের হাতে আইন তুলে নিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে।

কেউ আইনের ঊর্দ্ধে নয় মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, কাউকে ছাড় দেবো না। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ফুটপাতে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিকালে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকায় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় মেয়র আইভী, সাংবাদিকসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়। এদিন দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষের ঘটনায় পুরো এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই শতাধিক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

শামীমপন্থী হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা নিয়াজুল ইসলামের পিস্তল হাতে ছবিও এসেছে গণমাধ্যমে। তবে তিনি গুলি করেছেন কি না, সেটা স্পষ্ট নয়। কারণ পিস্তল বের করার পর আইভীপন্থীরা অস্ত্র কেড়ে নিয়ে তাকে বেদম পিটুনি দিয়েছে।

শামীম ওসমান স্বীকার করেছেন নিয়াজুল তার পরিচিত। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে তিনি বলেন, ‘নিয়াজুল আমার পরিচিত। তিনি বিশাল বড় মার্কেটের মালিক। সে সুইটের ভাই যাকে বিএনপির সময় ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছিল। এটা কি তার দোষ? তার হাতে পিস্তল দেখা গেলেও পরীক্ষা করা হোক এই পিস্তল থেকে গুলি করা হয়েছে কি না।’ -ডেস্ক