(দিনাজপুর২৪.কম) শিল্পী মমতাজ।একনামে দেশের সবাই চিনেন তাকে। অতি সাধারণ থেকে আজ তিনি বড় শিল্পীর মর্যাদায় ধৈর্য্য আর অধ্যাবসার মাধ্যমেই তার এ অর্জন। এখন তিনি জাতীয় সংসদের সদস্যও।এছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য তিনি হাসপাতালসহ বহু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানও করেছেন। ইতিমধ্যে এই সংগীতশিল্পীর অসংখ্য অ্যালবামও বেরিয়েছে। বিবাহিত জীবনেও তিনি সুখি । তার এক ছেলে দুই মেয়ে। ছেলে মেহেদী হাসান আর মেয়ে খুশরাত রুহানি ক্লাস সেভেন আর রাইসা রোজ ক্লাস থ্রিতে পড়ছে। তিনি গান শিখতেন তার বাবার কাছে। তিনি বলেন,‘ আব্বার মুখে যে গান শুনতাম, সেই গান গাইতাম। তবে রেকর্ড করা প্রথম গানের শিরোনাম ‘খেলছে পাখি উল্টা কলে’। জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় যে গান… তিনি বলেন,‘আমার প্রথম দুটি অ্যালবামের গান শ্রোতারা দারুণ পছন্দ করেন। এরপর আমার গাওয়া বৈঠকি, মুর্শিদি, বিচ্ছেদি গান ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে ‘ঘুম ভাঙাইয়া গেল রে মরার কোকিলে’ গানটা আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।’ তিনি রাজনীতি সম্পর্কে বলেন,‘রাজনীতি করি, কারণ… মানুষের জন্য রাজনীতি করি। মানুষ আমাকে ভালোবাসে। শিল্পী হিসেবে যেহেতু সবাই আমাকে ভালোবাসে, সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমি তাদের জন্য কিছু করতে চাই।’ তবে তিনি বলেন, প্রথমে আমি সংগীতশিল্পী, তারপর সংসদ সদস্য। সংগীতশিল্পী মমতাজকে সবাই যেভাবে পছন্দ করে, সংসদ সদস্য মমতাজকে হয়তো সবাই সেভাবে পছন্দ না-ও করতে পারে। নানা দলমতের মানুষ আছে সমাজে। তবে সংগীতশিল্পী মমতাজের ক্ষেত্রে দলমত কিছুই টেকে না। আমার সবচেয়ে প্রিয় গান।’ তিনি তার প্রিয় গানটি সম্পর্কে বলেন, ‘অনেক গানই তো প্রিয়। ‘মায়ের কান্দন যাবজ্জীবন’ গানটা গাইতে বেশি ভালো লাগে।’ তার গানের সংখ্যা সম্পর্কে বলেন, ‘সঠিক সংখ্যা বলা খুব মুশকিল। হিসাব করে তো গান করা হয় না। তবে নয় হাজার তো হবেই। আর অ্যালবামের সংখ্যা আট শর কাছাকাছি।’ গান, অভিনয়, মডেলিং, রাজনীতি। এরপরও মানুষের মনের মধ্যে ঠাঁই করে নেয়ার জন্য কাজ করছেন তিনি। তিনি বলেন,‘মানুষের আরও ভালোবাসা অর্জন করার জন্য যা করা দরকার, সব করতে চাই।’ -ডেস্ক