(দিনাজপুর২৪.কম)  ম্যাচের ৫২ মিনিটেই ৪-১ গোলে এগিয়ে বার্সেলোনা। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছিল, একতরফা ভাবেই উয়েফা সুপার কাপের শিরোপা জিততে যাচ্ছে ট্রেবল জয়ীরা। কিন্তু, বার্সার ডিফেন্ডাররা মনে হয় প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ম্যাচ চাননি! তাইতো বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও সেভিয়ার সমতার ফেরার নেপথ্যে ম্যাথিউ-বার্ত্রাদের ব্যর্থতা সহায়ক ভূমিকা রাখে। অতিরিক্ত সময়ে পেদ্রো রদ্রিগেজের গোলে বার্সার শেষ রক্ষা হয়। ৫-৪ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতালানরা। বরাবরের মতোই পুরো ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন লিওনেল মেসি। গোল করেছেন দুটি। তবে বার্সার হয়ে জয়সূচক গোল করে নায়ক বনে যান পেদ্রো। গোল করার পরই বুনো উল্লাসে মাতেন এ স্প্যানিশ স্ট্রাইকার। হয়তো, ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জনের জবাবেই এমন উদযাপন করেন। বার্সা ছেড়ে তার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে পাড়ি জমানোর জোড়ালো সম্ভাবনা রয়েছে। ম্যাচের তিন মিনিটের মাথায় লিড নিয়ে বার্সাকে ‘ভীতি’ উপহার দেয় সেভিয়া। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এভার বানেগার অসাধারণ ফ্রি-কিকটি ‍তাকিয়ে দেখা ছাড়া উপায় ছিল না মার্ক আন্দ্রের স্টেগেনের। অবশ্য, চার মিনিট পর ফ্রি-কিক থেকেই কাতালানদের সমতায় ফেরান মেসি। লিড নিতেও খুব একটা দেরি করেনি লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা। ১৫ মিনিটে নিজের ‘ট্রেডমার্ক’ ফ্রি-কিক থেকে জোড়া গোল পূরণ করেন চারবারের বর্ষসেরা মেসি। নাটকীয়ভাবে ম্যাচের প্রথম তিনটি গোলই আসে ফ্রি-কিক থেকে। প্রথমার্ধ শেষের এক মিনিট আগে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রাফিনহার গোলে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় কাতালানরা।
 দ্বিতীয়ার্ধের সাত মিনিটের মাথায় সার্জিও বুসকেটসের পাস থেকে পর্তুগিজ গোলরক্ষক বেতোকে বোকা বানান সুয়ারেজ। উরুগুইয়ান স্ট্রাইকারের গোলে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে লুইস এনরিকের শিষ্যরা। কিন্তু, খানিকটা পরেই মূল নাটকীয়তার সূত্রপাত ঘটে।
-ডেস্ক