ফাইজারের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকা। পুরোনো ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) নরওয়েতে ফাইজারের করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার পর অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। টিকা দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আজ শনিবার দেশটির কর্তৃপক্ষকে উদ্ধৃত করে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দেশটি মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে বলেও ওই প্রতিবেদনে বলা হয়।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনার পর অতিবৃদ্ধ ও দীর্ঘমেয়াদে অসুস্থ মানুষের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিনকে ‘মারাত্মক ঝুঁকি’ হিসেবে অভিহিত করেছে নরওয়ে। ফলে করোনা টিকার সুরক্ষা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে নতুন করে সংশয় দেখা দিলো।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার নরওয়েজিয়ান মেডিসিন এজেন্সির চিফ ফিজিশিয়ান সাইগার্ড হোর্তেমো বলেছেন, টিকা নেওয়ার পর জ্বর ও বমি বমি ভাবের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে কিছু কিছু দুর্বল রোগীর ক্ষেত্রে তা ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে আসতে পারে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যারা মারা গেছেন তাদের বয়স ৮০ এর উপর। এমতবস্থায় এই টিকা কারা নিতে পারবেন, কারা নয়; সে সম্পর্কিত নির্দেশনা সংশোধন করছে দেশটির সরকার।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইজার এবং জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনা ভ্যাকসিন ‘কমিরনাটি’ র প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন নরওয়ের ৩০ হাজারেরও বেশি অধিবাসী। ঝুঁকি বিবেচনায় প্রথম ধাপে দেশটিতে বয়োজ্যেষ্ঠদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হচ্ছিল। -ডেস্ক