মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ি (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান রহিম বাদশা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তার কক্ষে এসি লাগিয়ে ব্যবহার করছেন। বিষয়টি জানার পর জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ডিডিএলজি) মো. ইমতিয়াজ হোসেন গত কয়েকমাস ধরে একাধিকবার এসি খুলতে আদেশ করেন। কিন্তু অদ্যবধি চেয়ারম্যান রহিম বাদশা সেই এসি খোলেননি। তাই প্রশাসনসহ জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কে বড়? ডিডিএলজি না ইউপি চেয়ারম্যান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন যুবলীগ নেতা এবং একজন ইউপি সদস্য অভিযোগ করে বলেন, রহিম বাদশা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তার কক্ষে এসি লাগান। মাথার উপর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছিলো। রহিম বাদশা সেই ছবি এক পার্শ্বে দিয়ে এসিকে মাথার উপর বসিয়েচেন। আর সেই সেই এসির বিল দেওয়া হয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। আর ইউনিয়ন পরিষদের ব্যয়ের টাকা আসে জনগনের ট্যাক্সের টাকায়। তাই এ নিয়ে অনেকেই আপত্তি করেলেও চেয়ারম্যান তা আমলে নেননি। উল্টো চেয়ারম্যানের বিরাগভাজন হয়েছেন। এ বিষয়ে মৌখিক ভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দিয়েও কেউ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এদিকে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নায়েব আলী জানান, কিছুদিন আগে চেয়ারম্যানের ইন্দনে গাছ কাটার পর কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। পুলিশ তদন্তে ঘটনার সত্যতাও পায়। তারপরও অজ্ঞাতকারনে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। চেয়ারম্যান রহিম বাদশা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে আদিবাসী পাড়ার ধারে এবং বনের সন্নিকোটে অবৈধভাবে ইটভাটা চালিয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে বনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ওই ইটভাটার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিডিএলজি ইমতিয়াজ হোসেন জানান, যুগ্ম সচিচের নীচের পদবি কারও এসি ব্যবহারের নিয়ম নেই। মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে এসি খোলার জন্য বার বার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার পরও সে এসি খোলায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।