বিষ্ণুপদ রায় (দিনাজপুর২৪.কম) বিবাদমান জমিতে ধান কাট নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ এড়াতে ধান কাটতে নিষেধ করায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ থানার এক দারোগা হামলার শিকার হয়ে আহত হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়নের চন্দরিয়া দহপাড়া গ্রামে আইনীভিটা কান্দরে এ ঘটনা ঘটে। আহত দারোগার নাম সৈয়দ আবু তালেব। তাকে পীরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসি জানায়, ঐ এলাকার জবেদ আলী নামে এক ব্যক্তি আইনীভিটা কান্দরের প্রায় ১৫ বিঘা জমি কয়েক বছর ধরে ভোগ দখলে আছেন। এবারও ঐ জমিতে আমন ধান আবাদ করেন তিনি। ঐ জমি নিজেদের দাবি করে একই এলাকার আমির পাগলার ছেলে হাকিম, করিম, শামসুল তাদের ভাড়াটে ৩০/৩৫ জন লোক নিয়ে রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ধান কাটতে যায়। এতে জবেদ আলী পুলিশের সরনাপন্ন হয়। ঘটনা জানার পর থানা পুলিশ গিয়ে তাদের ধান কাটতে নিষেধ করে। এ সময় তারা উত্তেজিত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে দারোগা তালেবের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায় ভাড়াটে লোকজন। রক্তাক্ত অবস্থায় ঐ দারোগাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে করিমের ছেলে ফরিদ সহ ৫ জনকে আটক করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশি টহল জোড়দার করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার কথা শুনে গনমাধ্যম কর্মীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ঐ দারোগার ছবি তুলতে চাইলে পুলিশ ছবি তুলতে দেয়নি।
ঘটনার বিষয়ে জাবরহাট ইউনিয়নরে চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন, বর্তমানে সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তিনি সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় বলেন, দু’পক্ষের সংঘর্ষ এড়াতে সেখানে পুলিশ যায়। সমাধানও হয়ে যায় কিন্তু ফেরার পথে ঘটনাস্থলেই পুলিশের উপর হামলা করে একটি পক্ষ। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ঐ জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সন্ধায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। প্রস্তুতি চলছিল।