-ছবি সংগ্রহীত

(দিনজপুর২৪.কম) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক। এর একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এক কিশোরী (১৬)। গতকাল রোববার ভোরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সন্তানও প্রসব করে সে। ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার মদন উপজেলার ঘাটুয়া গ্রামে।

পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার কিশোরীর সঙ্গে প্রতিবেশী নয়ন তালুকদারের ছেলে রবি মিয়ার (১৮) প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এরই মধ্যে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে ধর্ষক। পরে কিশোরীর শারীরিক গঠন পরিবর্তন ঘটতে থাকলে প্রেমিক রবি মিয়াকে বিয়ের জন্য চাপ দেয় সে। কিন্তু বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ধর্ষক।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে ওই কিশোরী। পরে ১৯ জুন ধর্ষক রবি মিয়াকে গ্রেপ্তার করে মদন থানার পুলিশ। এখন পর্যন্ত সে জেলহাজতে রয়েছে।

ধর্ষিতা কিশোরী বলেন, ‘আমি আমার সন্তানের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি সন্তানের নিরাপত্তাসহ তার বাবার স্বীকৃতি চাই।’

ধর্ষিতার বাবা বলেন, ‘রোববার ভোর পাঁচটায় আমার মেয়ে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেছে। আমরা গরীব মানুষ কি করব ভেবে পাচ্ছি না। ছেলের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদেরকে বিভিন্ন সময়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি ধমকি দিচ্ছে। আমার মেয়ে ও নাতিকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি আমার মেয়ে এবং নাতির সামাজিক স্বীকৃতি চাই।’

জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম জানান, ‘আমি বিষয়টি জানি না। তবে ডিসেম্বরের ৫ তারিখে সন্তান প্রসবের সময় ছিল। তা ছাড়া আমি নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি।’

এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান মো. জসিম। -ডেস্ক