(দিনাজপুর২৪.কম) নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। ২০১৩ সালে একটি ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল এই ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন, নারী পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। এর আগে আজ বুধবার সকালে রাজস্থানের যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি আসারামকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। এই দিনই শোনানো হলো সাজাও। আসারামের সঙ্গে আরও দুই অভিযুক্ত শিবা ও শিল্পীকেও দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাদের প্রত্যেককে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে বাকি দুই অভিযুক্ত শরদ ও প্রকাশকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

যদিও সাক্ষীদের হত্যা করে এই মামলা প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে বারবার। নয়জন সাক্ষীর ওপর বিভিন্ন সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। আসারামের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অম্রুত প্রজাপত, রাঁধুনি অখিল গুপ্তা ও অপর এক সাক্ষী ক্রিপাল সিংকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

যে আইনে আসারামকে সাজা দেয়া হয়েছে সেটিতে ন্যূনতম শাস্তি ১০ বছর। আর সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এদিকে আসারামের বিরুদ্ধে গুজরাটে আরও একটি মামলা চলছে।
এর আগে গেলো বছরের আগস্টে ভারতের আরেক স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম সিংকে ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা দেন আদালত। -ডেস্ক