(দিনাজপুর২৪.কম) আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের জন্য শাস্তির মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হচ্ছে। আইন অনুযায়ী এই অপরাধের জন্য সাজার মেয়াদ আছে দুই থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর। এখন সেটি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৭ বছর করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৭-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। তাতে এই সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, দ্রুত বিচার আইনের ৪(১) ধারা সংশোধন করে শাস্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।
ওই ধারায় ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ’ করলে এতদিন সর্বনিম্ন ২ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের বিধান ছিল।
সংশোধিত আইনের খসড়ায় ওই সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ২ বছর ও সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সাজার পরিমাণ বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘অনেকগুলো ফোরাম থেকে প্রস্তাব আসে যে সাজা ৫ বছর পর্যাপ্ত নয়। স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করা হয়েছে। সবাই সাজা সাত বছর করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।’
চাঁদাবাজি, যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতি সাধন, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও সন্ত্রাস সৃষ্টি, অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র কেনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধ দ্রুততার সঙ্গে বিচারের জন্য এ আইন। -ডেস্ক