(দিনাজপুর২৪.কম) সএ গেমসের ক্যাম্প চলছে বিকেএসপিতে। সেই ক্যাম্পে অন্যদের সঙ্গে ছিলেন শিরিন আখতার। বিকেএসপির ক্যাম্পে আছেন হাসান মিয়াও। সামার অ্যাথলেটিক্সে দ্রুততম মানব-মানবী হয়েও টাইমিংয়ে হতাশ করেছেন এই দুই অ্যাথলেট। টাইমিংয়ের উন্নতিতো দূরের কথা নিজেদের সেরা টাইমিংও করতে পারেননি শিরিন ও হাসান।
বিকেএসপিতে নিবিড় অনুশীলন করেও ১২.২১ সেকেন্ড সময় নিয়েছেন শিরিন। যা আন্তর্জাতিক আসরে একেবারেই বেমানান। হতাশ শিরিন আক্তার নিজেও।

গত বছরের জাতীয় মিটে তার টাইমিং ছিল ১১.৮০ সেকেন্ড। নৌবাহিনীর সহযোগিতা, বিকেএসপিতে অনুশীলন, আবদুল্লাহেল কাফীর তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতি- সব এক করেও খুব একটা ভালো করতে পারেননি শিরিন। তারপরও আশাবাদী তিনি, ‘আশা করি টাইমিংয়ের উন্নতি করতে পারবো। সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের এখনো অনেক সময় বাকি। পরিশ্রম করছি।’ এসএ গেমসের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে সামার জাতীয় মিটে পাঁচবারের দ্রুততম মানবী বলেন, আমার বড় আশা, এসএ গেমসে একটি পদক জেতা। সে লক্ষ্যেই অনুশীলন করে যাচ্ছি। আমি চাই ইলেক্ট্রনিক টাইমিং ভাঙতে।’ ভবিষ্যতের অ্যাথলেটদের নিয়েও আশাবাদী শিরিন, ‘আমি মনে করি, তরুণ প্রজন্ম বেরিয়ে আসছে। যেমন রুপা, সোহাগী, শরীফা। সবাই পরিশ্রম করছে। সবাই উঠে আসছে। আগামী দিনগুলোতে তারাই কিছু করে দেখাতে পারবে।’
শিরিনের জন্য গল্পটা পুরনো হলেও হাসান মিয়ার ক্ষেত্রে পুনরুদ্ধারের। গেল বছর সামার মিটে দ্রুততম মানব হলেও জাতীয় অ্যাথলেটিকসে তা হারিয়েছিলেন নৌবাহিনীর মো. ইসমাইলের কাছে। এক মৌসুম পরই দ্রুততম মানবের মুকুট ছিনিয়ে নিলেন সেনাবাহিনীর হাসান মিয়া। তিনি সময় নিয়েছেন ১০.৬১ সেকেন্ড। আন্তর্জাতিক আসরের চেয়ে অনেক বেশি সময় হলেও সন্তুষ্ট হাসান। আগে বিকেএসপিতে খেললেও একমাস আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন তিনি। তার আনন্দিত হওয়ার কারণ, সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েই দ্রুততম মানবের খেতাব ফিরে পাওয়া। আগে জুনিয়র মিটে বিকেএসপির হয়ে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ৯ বার দ্রুততম কিশোর হয়েছিলেন। এবার হলেন দ্রুততম মানব। শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করে হাসান বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েই দলকে একটি স্বর্ণপদক দিতে পেরেছি। আনন্দটা বেশি এই কারণে যে, অনেক কষ্ট করে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছি। ভবিষ্যতে অনেক ভালো টাইমিং করতে চাই। এখন আমার লক্ষ্য এসএ গেমসে ভালো পারফর্ম করা। সেখানে নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করবো।’  -ডেস্ক