(দিনাজপুর২৪.কম) বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় সঞ্চালন বিদ্যুৎ লাইন দিয়ে অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আনা হচ্ছে। এই বিদ্যুৎ আসবে ভারতের বহরমপুর থেকে। এজন্য বাংলাদেশের ভেড়ামারা আর ভারতের বহরমপুর অংশে ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এই কার্যক্রম বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। জানা গেছে, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারত থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন। এসময় কুষ্টিয়া জেলাপ্রশাসককেও যুক্ত করা হবে। সূত্র জানায়, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা দিয়ে প্রথম সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছে ২০১৬ সালের ৩ ডিসেম্বর। নির্ভরযোগ্যভাবে ভারত থেকে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে উভয় দেশের মধ্যে নতুন ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হয়। নতুন লাইনটির দৈর্ঘ্য ৩০ কিলোমিটার। লাইনটি নির্মাণ করে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) লিমিটেড। যা শুরু হয়েছিল গতবছরের জুলাই মাসে। ফলে ভারত থেকে একসঙ্গে হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি সম্ভব হলো।পিজিসিবি সূত্র জানায়, ইতোপূর্বে নির্মিত বাংলাদেশ (ভেড়ামারা)-ভারত (বহরমপুর) ২৮ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন ও উপ-কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। এর অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াটসহ ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ আমদানির সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ভেড়ামারা-বহরমপুর বিদ্যমান গ্রিড আন্তঃসংযোগের ক্ষমতা বর্ধিতকরণ (৫০০ মেগাওয়াট)’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলো। কারণ আগের লাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব ছিলো না। আর হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির অবকাঠামোগত সক্ষমতাও ছিলো না লাইনটিতে। তাই ১০০০ মেগাওয়াট আমদানির জন্য নতুন করে ৩০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইনসহ উপ-কেন্দ্রটি পুনর্র্নিমাণের নতুন এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলো। কিন্তু প্রথম প্রকল্পটির আওতায় ৩০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইনে ১০০০ মেগাওয়াটের সংস্থান রাখা হলে দ্বিতীয় লাইনটি স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। -ডেস্ক