1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  3. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  4. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  5. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  6. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  7. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  8. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  9. news@dinajpur24.com : nalam :
  10. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  11. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  12. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  13. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

দেশে অঘোষিত সান্ধ্য আইন চালু করেছে সরকার : রিজভী আহমেদ (পুরো বক্তব্য)

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ২ বার পঠিত
(দিনাজপুর২৪.কম) সরকার দেশে অঘোষিত সান্ধ্য আইন চালু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি’র দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, পুলিশি ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে জোর করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা লুটপাট করছে।
সরকারের কাছে জনগণ শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা গনতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠান ধবংস করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, তাইফুল ইসলাম টিপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, সবাইকে শুভেচ্ছা।
সাংবাদিক হিসেবে আপনারা অবগত আছেন যে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কী ঘটছে। তারই কিছু খন্ড চিত্র এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।
বাগেরহাট জেলা :
১। চিতলমারী উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের নোমিনেশন পেপার জমা দিতে পারেনি। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে ও পরিবারের লোকজনদের ভয়ভীতি প্রদর্শণ করছে।
২। সদর উপজেলার বারইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়ীতে হামলা চালিয়ে হুমকি দেয়া হচ্ছে নোমিনেশন পেপার প্রত্যাহার করার জন্য। এছাড়া ডেমা, যাত্রাপুর, বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদেরকে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেয়নি আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তাদের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ব্যাপক ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং নোমিনেশন পেপার প্রত্যাহার না করলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দিচ্ছে।
৩। কচুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়ন ও রারীপাড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে ব্যাপক বাধা প্রদান করা হয়েছে। বাড়ীঘরে হামলা ও হুমকি দেয়া হচ্ছে।
ঝালকাঠি জেলা :
নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট, রানা পয়সা ও ফুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী যথাক্রমে আবদুস সালাম, আবদুর রশীদ ও মজিবুর রহমানকে নোমিনেশন পেপার জমা দিতে দেয়নি আওয়ামী ক্যাডারবাহিনী। প্রার্থী ও তাদের পরিবারের লোকজনদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
খুলনা জেলা :
১। তেরখাদা উপজেলার সদর ই্উনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মো: মহিবুল্লাহ সোনালী ব্যাংক থেকে জামানতের টাকা জমা দিয়ে ফেরার সময় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি কাউসার চৌধুরী’র হাত থেকে মো: মহিবুল্লার মনোনয়ন পত্র ছিনিয়ে নিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
২। তেরখাদা উপজেলার ৫টি ইউপি নির্বাচনের প্রত্যেকটিতে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের কর্তৃক বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে প্রবলভাবে বাধা দেয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা :
১। কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী যথাক্রমে জুগিখালী ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম, সোনাবাড়ীয়া ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম, দিয়াড়া ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান ইব্রাহিম হোসেন, কয়লা ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রকীব এবং কেরালকাতা ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী জহুরুল ইসলামকে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেয়া হয়নি। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাদেরকে প্রহার করে মনোনয়ন পত্র ছিনিয়ে নিয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করলেও তারা এর প্রতিকার করতে অপারগতা প্রকাশ করেছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা :
১। জেলার সিরাজদী খান উপজেলার জইনশার ইউপি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাজিমুদ্দিনকে নোমিনেশন পেপার জমা দিতে দেয়া হয়নি। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে মনোনয়ন পত্র জমা না দেয়ার জন্য হুমকি দিয়েছে।
সাংবাদিক বন্ধুরা,
আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী যেন মনে হয় অঘোষিত সান্ধ্য আইন জারি করে দেশ শাসন করে যাচ্ছে। এখানে গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বললে তার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা হয়, মিছিল সমাবেশ করলে ছররা গুলি চালানো হয়, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বললে সম্পাদককে জেলে থাকতে হয়, রাজনৈতিক বন্দী জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরও জেলগেট থেকে তাকে বারবার গ্রেফতার করা হয়। আর এই সমস্ত নিষ্ঠুর দমন-পীড়ণ, হামলা-মামলা করা হয় পুলিশী ক্ষমতার যথেচ্ছ প্রয়োগের মাধ্যমে। পুলিশের এই ক্ষমতার সাথে যুক্ত থাকে সরকারের সর্বোচ্চ ব্যক্তির অনুগ্রহভাজন যুবলীগ ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা। তারা শুধু বিরোধী দলগুলোর দমন ক্রিয়ায় নিযুক্ত নয়, রাজনীতি থেকে দুরে থাকা নিরপরাধ লোকেরাও পুলিশ ও ক্ষমতাসীনদের সশস্ত্র পান্ডাদের চাঁদাবাজী, নির্যাতন, অপহরণ ও গ্রেফতার  বানিজ্যের শিকার। একক কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে গণতন্ত্রের মুখোশটাকে মুখমন্ডলে সেঁটে রাখার জন্যই মাঝে মাঝে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করে সরকার। এই সমস্ত নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার থাকে না। কারন ভোট গ্রহণের অনেক আগেই ব্যালট বাক্স ভরে যায়। বর্তমান ইউপি নির্বাচনেও মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার সময় থেকেই শুরু হয়েছে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর নির্বাচন বিনাশী চরিত্রের বিভৎস আত্মপ্রকাশ। আর নির্বাচনের জন্য বিরোধী দলের প্রার্থীরা নির্বাচনী কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গেলে তাদেরকে বাধা দেয়া হয় এবং তাদের মনোনয়ন পত্র ছিঁড়ে ফেলা হয়। অথচ আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীরা দলের মনোনয়ন পাওয়াটাকেই তারা বিজয়ী হয়েছেন বলে মনে করছেন, যা ইতোমধ্যে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং আসন্ন ইউপি নির্বাচনটা সরকার নিজের মনের মাধুরী দিয়ে যে সাজিয়ে রেখেছেন এ বিষয়ে আর কারো সন্দেহ আছে বলে মনে হয় না।
বহু কায়দা করে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতার অলিন্দে প্রবেশ করে গণতন্ত্রকে হত্যা করতে গিয়ে এখন জনগণই তাদের কাছে ভীতিকর শত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ভয় মানুষের সব বৃত্তিকে গ্রাস করে ফেলে। জনগণের অংশগ্রহণের কথা শুনলেই তাদের চৈতন্য লোপ পায়। আর এজন্যই এক এক করে গণতন্ত্রের সকল প্রতিষ্ঠান তারা ধ্বংস করে ফেলেছে। গণতন্ত্রকে ভূতলে শায়িত করে আওয়ামী নেতা নেত্রীরা উস্কানি প্ররোচনা ও অসভ্যতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। আর সেজন্যই রাষ্ট্র ও সমাজের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে মানবাত্মার অবমাননার বিভিন্ন দিক।
বন্ধুরা,
আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী রাজনৈতিক বহুমাত্রিকতার বহুত্ববাদে কখনোই বিশ্বাস করেনি। এরা সমালোচনা এবং বিতর্ককে কখনোই গ্রহণ করতে পারে না। তবে তারা নিজেরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ও আক্রমনাত্মক কুটতর্কে পারঙ্গম। এদের কোন মানবিক মুখমন্ডল নেই। এরা কখনোই গণতান্ত্রিক সৌজন্যের তোয়াক্কা করে না। এদের দূরভিসন্ধিমূলক অশুভ পরিকল্পনার অভিমূখ ছিল গণতন্ত্রের দিকে। সেই কর্তব্য কর্মটি তারা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা দিয়ে পালন করেছে গণতন্ত্রকে দাফন করে।
ভোটারবিহীন দখলবাজ সরকার ভোট, নির্বাচন, জনমত, জবাবদিহিতা, পরমতসহিষ্নতাসহ প্রকৃত গণতন্ত্রের সকল উপাদানগুলোকে নির্বাসিত করে দেয়ার পর একক ক্ষমতার আতিশয্যে তাদের মধ্যে হিংস্রতা ও আগ্রাসন দিনকে দিন বেড়েই চলছে। এই কারনেই তারা আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে আরেকটি দখলবাজী মহড়ার একটি উৎকৃষ্ট মডেল বানাতে চায়। আর সেজন্যই সরকার ও নির্বাচন কমিশন যমজ ভায়ের মতো একযোগে কাজ করে চলছে। জনগণ জানে-আসন্ন ইউপি নির্বাচনের পরিণতি কী হবে। সুতরাং যতক্ষন পর্যন্ত না এই জবরদখলকারী সরকারের পতন ঘটবে ততদিন পর্যন্ত মানুষ তার অধিকার ফিরে পাবে না, বহুদলীয় গণতন্ত্রে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত হবে না। একমাত্র আন্দোলনের পথই হচ্ছে চূড়ান্ত পথ। এই সরকারের অধীনে নির্বাচন মানেই দখলবাজী আর কেড়ে নেয়ার মহৌৎসব। সুতরাং যে নির্বাচনী প্রহসন করবে সেটির উপযুক্ত জবাব হবে-নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য সম্মিলিতভাবে ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। -ডেস্ক রিপোর্ট

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর